logo

টেকনাফে গুলিবিদ্ধ শিশু হুজাইফাকে আনা হয়েছে নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে

নিজস্ব প্রতিবেদক

Published:14 Jan 2026, 11:14 AM

টেকনাফে গুলিবিদ্ধ শিশু হুজাইফাকে আনা হয়েছে নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে

টেকনাফে গুলিবিদ্ধ শিশু হুজাইফাকে আনা হয়েছে নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে

মিয়ানমার সীমান্তে গুলিবিদ্ধ কক্সবাজারের টেকনাফের শিশু হুজাইফা আফনানকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালে আনা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) দিবাগত রাত ১০টা ৪৫ মিনিটে শিশুটিকে হাসপাতালে আনা হয়। ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালের ইন্টারভেনশনাল নিউরোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. হুমায়ুন কবীর হিমু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, হুজাইফাকে রাত ১০টা ৪৫ মিনিটে আমাদের হাসপাতালে আনা হয়েছে। অবস্থা দেখে বেশ সংকটাপন্ন মনে হয়েছে। তাকে আইসিইউতে নেওয়া হবে। বাকিটা পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে বলা যাবে।

হাসপাতাল সূত্র জানায়, পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গেই হুজাইফাকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে নেওয়া হয়েছে। তার জন্য আগেই পোস্ট-অপারেটিভ রুমে একটি সিট সংরক্ষণ করে রাখা হয়েছিল। শিশুটির সার্বিক অবস্থা মূল্যায়ন করে পরবর্তী চিকিৎসা পরিকল্পনা নির্ধারণ করা হচ্ছে। এর আগে, তার অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে ঢাকায় স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

গত রবিবার সকাল ৯টার দিকে বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে ছোড়া গুলিতে আহত হয় টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়নের তেচ্ছিব্রিজ সীমান্ত এলাকার শিশু হুজাইফা। এদিন সন্ধ্যা ৬টার দিকে তাকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে নিয়ে আসা হয়।

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে বিমান হামলা, ড্রোন হামলা, মর্টার শেল ও বোমা বিস্ফোরণ থামছে না। কয়েক দিন ধরে রাখাইন রাজ্যের মংডু টাউনশিপের আশপাশের এলাকায় সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মির (এএ) অবস্থানে বিমান হামলা জোরদার করেছে সরকারি জান্তা বাহিনী। অন্যদিকে আরাকান আর্মির সঙ্গে স্থলভাগে সংঘর্ষে জড়িয়েছে রোহিঙ্গাদের সশস্ত্র তিনটি গোষ্ঠী। এ কারণে সীমান্ত পরিস্থিতি দিন দিন জটিল হচ্ছে। ওপারের বিকট বিস্ফোরণে সীমান্তবর্তী টেকনাফের গ্রামগুলো কেঁপে উঠছে। ওপার থেকে ছোড়া গুলি এসে পড়ছে এপারে লোকজনের ঘরবাড়ি, চিংড়িঘের ও নাফ নদীতে।

হুজাইফার চাচা মোহাম্মদ এরশাদ বলেন, ‘গত শনিবার সারা রাত গোলাগুলির শব্দে এলাকার মানুষ আতঙ্কে ছিল। আমরাও ঘরের ভেতরে ছিলাম। রবিবার সকালে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত দেখে আমি ঘর থেকে বের হই। এর কিছুক্ষণ পর আমার ভাতিজিও খেলতে বের হয়। এ সময় সে সড়কের কাছাকাছি চলে আসে। তখনই আবার সীমান্তের ওপারে গোলাগুলি শুরু হয়েছে। তখন একটি গুলি তার মুখের পাশ দিয়ে মাথায় ঢুকে যায়।’

পিপলসনিউজ/আরইউ

© ঠাকুরগাঁও ৭১

সম্পাদকঃ ফইজুল ইসলাম উপদেষ্টা: অধ্যক্ষ (ভাঃপ্রাঃ), মো: মাজহারুল ইসলাম সুজন, সাংগঠনিক সম্পাদক, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ, ঠাকুরগাঁও জেলা।

ফোন : +৮৮০১৭১৭৮০১৪৪০, ইমেইল : info@thakurgaon71.com