খেলোয়াড়ি জীবনকে ইতি দিয়েছেন অনেক আগেই। ক্যারিয়ার শেষে মুটিয়ে গিয়েছিলেন ওয়েইন রুনি। ভুঁড়িওয়ালা শরীর নিয়ে অনেক সময় নেটিজেনদের হাসির পাত্র হয়েছেন তিনি।
তবে সম্প্রতি সমর্থকদের চমকে দিয়েছেন ইংল্যান্ডের সাবেক স্ট্রাইকার। ৪০ কেজি ওজন কমিয়েছেন তিনি।
সম্প্রতি ডিজনি প্লাসের নতুন সিরিজ ‘দ্য রিয়েল রুনিজ’-এর প্রিমিয়ারে স্ত্রী কোলিনকে নিয়ে লাল গালিচায় হাজির হন রুনি। বদলে যাওয়া এক মেদহীন চেহারায় দেখা যায় তাকে। শুধু অতিরিক্ত ওজনই কমাননি, সঙ্গে নাকের অস্ত্রোপচারও করিয়েছেন তিনি।
চেহারার এমন পরিবর্তন দেখে গুঞ্জন ওঠে ইনজেকশন নিয়ে ওজন কমিয়েছেন রুনি। সেই গুঞ্জন উড়িয়ে দিয়ে ‘ডেইলি মেইলকে’ ৪০ বছর বয়সী সাবেক স্ট্রাইকার বলেছেন, ‘সম্প্রতি অনেকে বলাবলি করেছে আমি নাকি ওজন কমানোর ইনজেকশন নিচ্ছি। এটা শুনে খারাপ লাগছে। কারণ ওজন কমাতে জিমে কঠোর পরিশ্রম করছি।’
দীর্ঘদিন ধরেই নাক ডাকার সমস্যায় ভুগছিলেন রুনি। তার নাম ডাকা নিয়ে অতিষ্ঠ ছিলেন স্ত্রী কোলিন। স্বামীকে অস্ত্রোপচার করাতে রাজি করান তিনি। রুনিও তা মেনে নেন। তিনি বলেন, ‘আমার নাকের এক পাশ দিয়ে নিঃশ্বাস বের হতো না। তাই সার্জারি করিয়েছি।’
বুটজোড়া তুলে রাখার পর কোচিং পেশায় যুক্ত হয়েছিলেন রুন। তবে ডাগআউটে সময়টা ভালো কাটেনি তার। বর্তমানে বিবিসির টিভি বিশ্লেষক হিসেবে কাজ করছেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের ২৫৩ গোলের মালিক। ভবিষ্যতে আবারো কোচিংয়ে ফিরবেন কি না জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেছেন, ‘টাকার জন্য এই কাজ করি না। সারা দিন ঘরে বসে না থেকে ব্যস্ত থাকতেই কাজ করি। হতে পারে আর কখনো কোচিং করাব না। তাই সামনের দিকে তাকাতে হবে। আমার মনে হয় এখন ‘দ্য মাস্কড সিঙ্গার’ শো তে যাওয়া দরকার! যদিও সেখানে গেলে তারা আমাকে খোঁচা মেরে একদম শেষ করে দেবে।’
সর্বশেষ প্লাইমাউথ ক্লাবের ডাগআউটে দাঁড়ান রুনি। দলটি চ্যাম্পিয়নশিপ পয়েন্ট টেবিলের তলানিতে থাকায় গত ডিসেম্বরে ছাঁটাই হন। কোচিং জীবনের অনিশ্চয়তা নিয়ে রুনি বলেছেন, ‘খেলোয়াড় হিসেবে আপনি জানেন কখন ক্যারিয়ার শেষ হবে। সে অনুযায়ী প্রস্তুতি নেওয়া যায়। কিন্তু কোচ হিসেবে আপনি এক বছর, দুই বছর নাকি তিন মাস টিকবেন, বলা অসম্ভব। চাকরি হারানোর ধাক্কার জন্য কেউ কখনোই প্রস্তুত থাকে না।’
পিপলসনিউজ/আরইউ