logo

রূপপুরের ইউরেনিয়াম পরিবহনে আকাশসীমার অনুমতি দেয়নি পাকিস্তান

পিপলসনিউজ ডেস্ক

Published:28 Sep 2026, 01:19 PM

রূপপুরের ইউরেনিয়াম পরিবহনে আকাশসীমার অনুমতি দেয়নি পাকিস্তান

রূপপুরের ইউরেনিয়াম পরিবহনে আকাশসীমার অনুমতি দেয়নি পাকিস্তান

পাকিস্তানের পক্ষ থেকে আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি না দেওয়ায় রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ইউরেনিয়াম পরিবহনে বিঘ্ন ঘটেছে। বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য নির্ধারিত পারমাণবিক জ্বালানি গত ২৪ সেপ্টেম্বর আসার কথা থাকলেও আকাশসীমা সংক্রান্ত জটিলতার কারণে তা যথাসময়ে পৌঁছাতে পারেনি। খবর এএনআই

বিষয়টি নিশ্চিত করে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম এএনআইকে ফোনে বলেন, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য ইউরেনিয়াম বহনকারী একটি কার্গো বিমানের ২৪ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশে পৌঁছানোর কথা ছিল। তবে পাকিস্তানের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি না পাওয়ায় নির্ধারিত সময়ে ইউরেনিয়াম আসেনি। পাকিস্তান কেন আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি দেয়নি, সেই সঠিক কারণ এখনও জানা যায়নি বলে জানান তিনি। 

মন্ত্রী বলেন, ইউরেনিয়াম আসার নতুন তারিখ প্রস্তাব করা হয়েছে। রাশিয়া জানিয়েছে, অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে এটি বাংলাদেশে পৌঁছাতে পারে।

বাংলাদেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব শেখ মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম এএনআইকে টেলিফোনে বলেন, আমরা বিমানবন্দরে সমস্ত প্রস্তুতি সম্পন্ন করে অপেক্ষা করছিলাম, কিন্তু রোসাটমের লিয়াজোঁ কর্মকর্তা আমাদের জানান যে আকাশসীমা পরিষ্কার নয়। ফলে ইউরেনিয়াম পাঠানো সম্ভব হয়নি। এটি নতুন করে সময় নির্ধারণের প্রয়োজন হতে পারে। তবে কোন দেশ আকাশসীমা ব্যবহারে বাধা দিয়েছে, তা তারা জানাতে পারেননি।

রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক শক্তি করপোরেশন রোসাটমের সহযোগিতায় রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করা হচ্ছে। বিষয়টি জানতে রোসাটমের এক প্রতিনিধিকে ইমেইল করেছে এএনআই। তবে কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি বাংলাদেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, যা পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার পাকশী ইউনিয়নের পদ্মার তীরে রূপপুর গ্রামে নির্মিত হচ্ছে। রাশিয়ান ফেডারেশনের স্টেট এটমিক এনার্জি কর্পোরেশনের (রোসাটম) কারিগরি সহায়তায় এবং বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের তত্ত্বাবধানে এই প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে। এই প্রকল্পে দুটি তৃতীয় প্রজন্মের ভিভিইআর-১২০০ রিয়াক্টর ইউনিট নির্মিত হচ্ছে, যা সম্মিলিতভাবে দুই হাজার ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা থাকবে।

এর আগে রাশিয়ার রোসাটমের নভোসিবিরস্ক কেমিক্যাল কনসেন্ট্রেটস প্ল্যান্টে উৎপাদিত ১৬৪টি তাজা জ্বালানি সমাহার বা ফুয়েল অ্যাসেম্বলি কঠোর আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ভারী রুশ কার্গো বিমানে সরাসরি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছেছিল এবং ২০২৩ সালের অক্টোবরে রূপপুর প্রকল্পে আনুষ্ঠানিকভাবে তা হস্তান্তর করা হয়েছিল। 

পিপলসনিউজ/আরইউ

© ঠাকুরগাঁও ৭১

সম্পাদকঃ ফইজুল ইসলাম উপদেষ্টা: অধ্যক্ষ (ভাঃপ্রাঃ), মো: মাজহারুল ইসলাম সুজন, সাংগঠনিক সম্পাদক, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ, ঠাকুরগাঁও জেলা।

ফোন : +৮৮০১৭১৭৮০১৪৪০, ইমেইল : info@thakurgaon71.com