শীতে কাঁপছে তেঁতুলিয়া, তাপমাত্রা নেমেছে ১২.৮ ডিগ্রিতে
প্রকাশ : ২৫-১১-২০২৫ ১৬:৫৮
ছবি : সংগৃহীত
পঞ্চগড় প্রতিনিধি
উত্তরাঞ্চলে হিমেল হাওয়ার দাপটে শীত জেঁকে বসেছে। কুয়াশা খুব বেশি না থাকলেও ভোরের ঠান্ডা বাতাসে তাপমাত্রা নেমে এসেছে ১২ ডিগ্রির কাছাকাছি। সকালে বেশ ঠান্ডা অনুভূত হলেও সূর্য ওঠার পর আবহাওয়া কিছুটা স্বস্তিদায়ক হয়।
মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ১২ দশমিক আট ডিগ্রি সেলসিয়াস। এসময় বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৯৯ শতাংশ।
স্থানীয়দের মতে, ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত শীতের অনুভূতি বেশি থাকে। তবে রোদ উঠলে আশপাশ ধীরে ধীরে উষ্ণ হয়ে ওঠে।
তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিস জানায়, এক সপ্তাহ ধরে জেলার তাপমাত্রা ১২ থেকে ১৪ ডিগ্রির মধ্যে ওঠানামা করছে। সোমবার তাপমাত্রা ছিল ১৩ দশমিক চার ডিগ্রি, রোববার ১২ দশমিক ছয়, শনিবার ১৪ দশমিক সাত, শুক্রবার ১৪ দশমিক নয়, বৃহস্পতিবার ১৩ দশমিক নয়, বুধবার ১৪ দশমিক তিন, এবং গত মঙ্গলবার ১৪ দশমিক ছয় ডিগ্রি সেলসিয়াস।
তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়াবিদ জিতেন্দ্রনাথ রায় বলেন, রাত বাড়লেই ঠান্ডা বাড়ে। সূর্য উঠলেই আবার তাপমাত্রা দ্রুত বেড়ে যায়। আজ ১২ দশমিক আট ডিগ্রি রেকর্ড হয়েছে। নভেম্বর মাসের শেষে হালকা শৈত্যপ্রবাহের শঙ্কা আছে।
এদিকে শীতের মাঝেও সকাল থেকে জীবিকার টানে কাজে ফিরেছেন নিম্নআয়ের শ্রমজীবী মানুষ। চা বাগান, খনি এলাকা ও নদীঘাটে শ্রমিকদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। ভ্যানচালক, দিনমজুর, রিকশাচালকরা জানাচ্ছেন রোদের আলো পাওয়ায় সকালবেলার কাজ কিছুটা স্বস্তিদায়ক হয়েছে।
ভ্যানচালক কামরুল ইসলাম বলেন, ভোরবেলা ঠান্ডার কারণে ভ্যান চালানো কষ্টকর হয়ে যায়। তবে রোদ উঠলে চলাফেরা সহজ হয়।
ইতোমধ্যে বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় দেখা গেছে জমে উঠেছে মৌসুমী শীতবাজার। সেখানে রংবেরংয়ের কম্বল, সোয়েটার, টুপি ও উলের গ্লাভস কিনতে ভিড় জমাচ্ছেন ক্রেতারা। বিক্রেতাদের দাবি, কয়েকদিন ধরে তাপমাত্রা কমতে থাকায় বিক্রি বেড়েছে প্রায় দ্বিগুণ।
অপরদিকে, শীত বাড়ায় শিশু ও বয়স্কদের মধ্যে ঠান্ডাজনিত রোগের প্রাদুর্ভাবও বাড়ছে। জেলার হাসপাতালগুলোতে শীতজনিত সমস্যায় শিশু, বৃদ্ধসহ বিভিন্ন বয়সের রোগীর সংখ্যা বাড়ছে।
সদর হাসপাতালে সন্তানের চিকিৎসা নিতে আসা কুসুম আক্তার বলেন, রাতে খুব ঠান্ডা পড়ে, সকালে উঠলেও শরীরে শীত জমে থাকে। রোদ উঠলে তবে একটু আরাম পাওয়া যায়।/বিশেষ করে নিউমোনিয়া, হাঁপানি ও সর্দি-কাশির রোগী বেশি আসছেন।
পিপলসনিউজ/আরইউ
-- বিজ্ঞাপন --
CONTACT
ads@peoplenewsbd.com