weather ২৬.৯৯ o সে. আদ্রতা ৭৪% , শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫, ২০ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

চাঁদাবাজিতে জড়িত দুদকের কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারী

প্রকাশ : ১৩-০১-২০২৫ ১৮:২০

সোহেলী চৌধুরী
দুদকের অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ নতুন নয়। গত ১৬ বছরের বিভিন্ন সময়ে অধিকাংশ কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে অভিযোগ এসেছে। এর মধ্যে, মামলার হুমকি দিয়ে চাঁদাবাজি, অভিযোগ থেকে মুক্ত করার কথা বলে টাকা আদায়, প্রতারণা ও ঘুষ-দুর্নীতির অভিযোগে নিজ সংস্থার ২৩৮ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে বহিষ্কারসহ বিভিন্ন ধরনের শাস্তি দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত ৯ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে অপসারণসহ বিভিন্ন ধরনের শাস্তি দেওয়া হয়েছে। বিভাগীয় মামলায় ১৩ কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে এখনো তদন্ত চলছে। নতুন করে আসা অভিযোগের মধ্যে অন্তত ২৫টির গ্রহণযোগ্যতা খতিয়ে দেখছে অভ্যন্তরীণ দুর্নীতি দমন কমিটি। ডলারে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে গত এপ্রিল মাসে উপপরিচালক (পিআরএল ভোগরত) আবু বকর সিদ্দিকের (জিনের বাদশা নামেও পরিচিত) বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করে দুদকের তিন সদস্যের ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটি।
এদিকে দুর্নীতি দমন ব্যুরো বিলুপ্তির মধ্য দিয়ে ২০০৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় দুদক। সে সময় ব্যুরো আমলের কর্মকর্তাদের সততা নিয়ে প্রশ্ন থাকলেও প্রয়োজনীয় নিয়োগবিধি না থাকায় দুদক আইনেই ব্যুরোর অপেক্ষাকৃত সৎ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দুদকে বহাল করা হয়। তবে, ২০০৭ সালে ওয়ান-ইলেভেনের পর থেকেই কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রকাশ্যে আসে। ফলে ২০০৮ সালে দুদকের জন্য আলাদা চাকরিবিধি প্রণয়নের মধ্য দিয়ে এসব অভিযোগের বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ শুরু হয়।
সেই থেকে ২০২৪ সালের নভেম্বর পর্যন্ত ২৩৮ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এতে চাকরিচ্যুতির পাশাপাশি ফৌজদারি মামলা দায়ের, বাধ্যতামূলক অবসর, পদ অবনমন, বেতন কমিয়ে দেওয়া এবং ইনক্রিমেন্ট স্থগিত করা হয়েছে। পিয়ন, ড্রাইভার, কনস্টেবল, কেরানি, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই), উপসহকারী পরিচালক, সহকারী পরিচালক, উপপরিচালক এবং পরিচালক পর্যায়ের কর্মকর্তাদেরও শাস্তির আওতায় আনা হয়েছে। এর মধ্যে ৩৪ জনকে চাকরিচ্যুত এবং বাকিদের বাধ্যতামূলক অবসর ও অন্যান্য শাস্তি দেওয়া হয়েছে।
দুদকের কোনো কর্মকর্তা কর্মচারীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ এলে আপনারা কি প্রক্রিয়ায় ব্যবস্থা নেন? দুদকের কর্মকর্তাদের বিদ্যমান চাকরি বিদিতে কোনো ঘাটতি আছে কিনা? এমন প্রশ্নের জবাবে দুদকের মহাপরিচালক আক্তার হোসেন বলেন, দুদকের যে কোন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে যদি কোন অভিযোগ উপস্থাপিত হয়, তাহলে এটার জন্য আমাদের দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা ২০০৭ এ নির্ধারিত পদ্ধতি আছে। সেখানে তিন সদস্য বিশিষ্ট আভ্যন্তরীণ দুর্নীতি দমন কমিটি রয়েছে। যেখানে এই অভিযোগ উপস্থাপিত হয় এবং সে অনুযায়ী একজন অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়। তার প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে পরবর্তী আয়নানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়। অনেক সময় আছে যে হয়তো কোন একটা অনিয়মের অভিযোগ বা গুরুতর কোন অভিযোগ যার ডিপার্টমেন্টাল প্রসিডিউর হতে পারে। সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হয়। তবে যদি চাঁদাবাজি, ঘুষ-দুর্নীতির কোন অভিযোগ থাকে তাহলে এটার জন্য স্পেসিফিক বলা আছে কি করতে হবে। এসব বিষয়ে অভ্যন্তরীণ দুর্নীতি দমন কমিটির সদস্যরাই সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন।
বিভাগীয় মামলায় ১৩ কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে এখনো তদন্ত চলছে। এ সম্পর্কে জানতে চাইলে আক্তার হোসেন বলেন, এর সঠিক কোন ইনফরমেশন আমার কাছে নেই। এসবের ডিপার্টমেন্টাল প্রসিডিউর আছে সেগুলো প্রশাসন শাখা দেখে। এ বিষয়ে আপনি প্রশাসন শাখা থেকে জেনে নিতে পারেন।
নতুন করে আসা অভিযোগের অন্তত ২৫টির গ্রহণযোগ্যতা খতিয়ে দেখছে অভ্যন্তরীণ দুর্নীতি দমন কমিটি। এ বিষয়ে জানতে চাইলে জবাবে তিনি বলেন, এই তথ্যও আমার কাছে নেই। এই ইসুগুলো প্রশাসনের। আপনি প্রশাসনের ডিজি মহোদয়ের সঙ্গে অথবা সচিব মহোদয়ের সঙ্গে কথা বলতে পারেন। উনারা এ বিষয়ে তথ্য দিতে পারবেন।
ডলারে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে গত এপ্রিল মাসে উপপরিচালক (পিআরএল ভোগরত) আবু বকর সিদ্দিকের (জিনের বাদশা নামেও পরিচিত) বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করে দুদকের তিন সদস্যের ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটি। এ বিষয়ে জানতে চাইলে জবাবে দুদকের মহাপরিচালক বলেন, এর কোন ইনফরমেশন এই মুহূর্তে আমার কাছে নেই। এ বিষয়ে ইনকোয়ারি অফিসারদের সাথে কথা বলে জানাতে হবে। এর অগ্রগতি কতদূর। তাছাড়া এটা আমার বিভাগ থেকে হয় না। যদি আমার বিভাগ থেকে হতো তাহলে আমি তাৎক্ষণিক আপনাকে তথ্য দিতে পারতাম। তবে আমি যতদূর জানি এখন পর্যন্ত কোন প্রতিবেদন দাখিল করেনি।
দুদক সূত্র জানায়, দুদকের অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দ্বারা হয়রানির শিকার মানুষের দেওয়া অভিযোগ খতিয়ে দেখছে অভ্যন্তরীণ দুর্নীতি দমন কমিটি। বর্তমানে ১৩টি বিভাগীয় মামলার তদন্ত ও ২টি ফৌজদারি অভিযোগের অনুসন্ধান চলছে। বিভিন্নভাবে আসা অভিযোগের মধ্যে আমলযোগ্য বিবেচনায় অন্তত ২৫টি নতুন অভিযোগ যাচাই করা হচ্ছে। যাচাই-বাছাইয়ের পর কমিটি সুপারিশ জানালে সে অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেবে কমিশন। এছাড়াও কিছু সন্দেহভাজন কর্মকর্তা-কর্মচারী আছেন সংস্থাটির অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা ইউনিটের নজরদারিতেG
এদিকে ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ১৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত শাস্তি পাওয়া ৯ জনের মধ্যে কনস্টেবল এমরান হোসেনকে চাকরি থেকে অপসারণ করা হয়েছে। অসদাচরণ ও অদক্ষতার অভিযোগে সহকারী পরিচালক নীল কমল পালের ৩ বছরের ইনক্রিমেন্ট স্থগিত, সহকারী পরিচালক আল আমিন ও উচ্চমান সহকারী গাজী আব্দুল কাদেরের ১ বছরের ইনক্রিমেন্ট স্থগিত, প্রধান সহকারী মুহাম্মদ মাবুবুল হাসান আফ্রাদকে বাধ্যতামূলক অবসর ও ডেটা এন্ট্রি অপারেটর ওমর ফারুককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
গত বছর চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী পরিমল ধরকে দুদকের ভুয়া অভিযোগ দেখিয়ে তা থেকে অব্যাহতি দেওয়ার কথা বলে ২০ লাখ টাকা দাবি করেন দুদকের কুমিল্লা কার্যালয়ের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) কামরুল হুদা। এ বিষয়ে পরিমল থানায় মামলা করেন। গত বছর ২৪ সেপ্টেম্বর কুমিল্লা থেকে চট্টগ্রামে ছুটে গিয়ে ঘুষ নিয়ে পুলিশের হাতে ধরা পড়েন কামরুল হুদা। চাঁদাবাজির মামলায় কামরুলকে জেলহাজতে পাঠানো হলে দুদকও তাকে বরখাস্ত করে। দুদকের মহাপরিচালকের (মানি লন্ডারিং) পিএ গৌতম ভট্টাচার্য তার তিন সহযোগীসহ ঘুষের দেড় লাখ টাকা নেওয়ার সময় গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) হাতে ধরা পড়ে জেলহাজতে যান।
তারা ঢাকার উত্তরার ব্যবসায়ী আশিকুজ্জামানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির ভুয়া অভিযোগের চিঠি তৈরি করে তা থেকে অব্যাহতি দেওয়ার কথা বলে ঘুষ দাবি করেছিলেন। এ ঘটনায় দুদক গৌতমকেও বরখাস্ত করেছে। বগুড়ায় পুলিশের এসআই আলমগীর হোসেনের অবৈধ সম্পদ অনুসন্ধান করতে গিয়ে অব্যাহতির আশ্বাস দিয়ে ঘুষ নেন দুদকের উপসহকারী পরিচালক সুদীপ কুমার চৌধুরী। এ অভিযোগে তাকেও বরখাস্ত করা হয়। একই ধরনের অভিযোগে উপপরিচালক শাওন মিয়া, সহকারী পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান এবং কুড়িগ্রাম জেলা কার্যালয়ের গাড়িচালক সফিউল্লাহকেও বরখাস্ত করা হয়।
দুদকে সবচেয়ে আলোচিত ছিল দুর্নীতির মামলা থেকে রেহাই পাইয়ে দিতে পুলিশের ডিআইজি মিজানুর রহমানের কাছ থেকে দুদক পরিচালক এনামুল বাছিরের ২৫ লাখ টাকা ঘুষ নেওয়ার ঘটনা। ২০১৯ সালের আলোচিত এ ঘটনায় এনামুল বাছির শুধু চাকরিচ্যুতই হননি, দুদকেরই দায়ের করা ফৌজদারি মামলায় তার ৮ বছরের কারাদণ্ড হয়েছে। এ রায়ের বিরুদ্ধে তিনি আপিল করেছেন। বর্তমানে তিনি জামিনে মুক্ত আছেন।
২০১১ সালের জানুয়ারি মাসে ঘুষের ১০ লাখ টাকাসহ র্যা বের হাতে ধরা পড়েন দুদক চট্টগ্রাম আঞ্চলিক কার্যালয়ের তৎকালীন উপপরিচালক সাব্বির আহমেদ। যে দুদক ফাঁদ পেতে বিভিন্ন দপ্তরের ঘুষখোর ধরতে সিদ্ধহস্ত। সেই দুদকের কর্মকর্তা ঘুষের টাকাসহ ধরা পড়েন র্যা বের হাতে। সাব্বিরকে তখনই চাকরিচ্যুত করা হয়। মামলাটির বিচার চলছে।
দেশের জেলা কার্যালয়গুলোর মধ্যে দুদক কর্মকর্তাদের বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের ঘটনা সবচেয়ে বেশি ঘটেছে চট্টগ্রামে। হালের সবচেয়ে আলোচিত ছিল দুদক উপপরিচালক শরীফ উদ্দিনকে অপসারণের ঘটনা। দুদকের চাকরিবিধির ক্ষমতাবলে কমিশন সরাসরি তাকে অপসারণ করে। এ ঘটনায় তার সহকর্মীরা দুদক সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের ব্যানারে সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন করেন। সহকর্মী অপসারণের ঘটনায় দুদকে প্রথমবারের মতো এ ধরনের মানববন্ধন হয়। 
এদিকে শরীফউদ্দিন অপসারণের আদেশ চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে মামলা করেও ফিরতে পারেননি। ২০০৮ থেকে গত সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ১৬ বছরের মধ্যে বরখাস্তের বিরুদ্ধে অনেকেই হাইকোর্টে মামলা করেছিলেন। হাইকোর্টের আদেশে কয়েকজন স্বপদে ফিরেছিলেন। পরে তাদেরকে চাকরিবিধি অনুসারে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়।
দুদকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০০৮ সালে দুদক চাকরিবিধি প্রণয়ন হওয়ার পর অনিয়ম-দুর্নীতি ও শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে ওই বছরেই ৩২ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে শাস্তির আওতায় আনা হয়। এর মধ্যে ৪ জন চাকরিচ্যুত হন। ২০০৯ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত ৫ বছরে ৯৫ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে শাস্তি দেওয়া হয়। এর মধ্যে চাকরিচ্যুত হন ১৮ জন। ২০১৪ সালে ১২ জনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
২০১৫ সালে কারও বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ২০১৬ সালে ১৪ জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়, এর মধ্যে ২ জনকে চাকরিচ্যুত করা হয়। ২০১৭ সালে ১৫ জনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এর মধ্যে ১ জনকে চাকরিচ্যুত, ২০১৮ সালে ৪ জনের মধ্যে ৩ জনকে চাকরিচ্যুত, ২০১৯ সালে ৩৬ জনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হয়। এর মধ্যে ২ জন চাকরিচ্যুত হন। ২০২০ সালে তিনজনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হলেও চাকরিচ্যুতি ঘটেনি। ২০২১-এ কোনো বিভাগীয় মামলা হয়নি। ২০২২ সালে একজনের চাকরিচ্যুতিসহ তিনজনকে শাস্তি দেওয়া হয়। গত বছর ১৫ এবং চলতি বছর ৯ জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এছাড়া ১৩টি বিভাগীয় মামলার তদন্ত চলছে।
আরেকটি সূত্র জানায়, নতুন করে আসা অভিযোগের মধ্যে অন্তত ২৫টির গ্রহণযোগ্যতা খতিয়ে দেখছে অভ্যন্তরীণ দুর্নীতি দমন কমিটি। কমিটির সুপারিশ পেলেই ব্যবস্থা নেবে কমিশন।

পিপলসনিউজ/এসসি

-- বিজ্ঞাপন --


CONTACT

ads@peoplenewsbd.com

সৌদি আরবে চাঁদ দেখা গেছে, ঈদ রবিবার সৌদি আরবে চাঁদ দেখা গেছে, ঈদ রবিবার বৈদেশিক মুদ্রার মোট রিজার্ভ ২৫ দশমিক ৪৪ বিলিয়ন ডলার বৈদেশিক মুদ্রার মোট রিজার্ভ ২৫ দশমিক ৪৪ বিলিয়ন ডলার ছত্তিশগড়ে অভিযানে ১৬ মাওবাদী গেরিলা নিহত ছত্তিশগড়ে অভিযানে ১৬ মাওবাদী গেরিলা নিহত নাটোরে পুরাতন ডিসি বাংলোতে সংসদ নির্বাচনের ১০০ বস্তা ব্যালট পেপার নাটোরে পুরাতন ডিসি বাংলোতে সংসদ নির্বাচনের ১০০ বস্তা ব্যালট পেপার রবিবার জানা যাবে বাংলাদেশে কবে ঈদ রবিবার জানা যাবে বাংলাদেশে কবে ঈদ