মেনন-কামরুলের বিচার শুরু, নিজেদের নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচারের প্রার্থনা
প্রকাশ : ৩০-০৪-২০২৬ ২০:০০
রাশেদ খান মেনন ও কামরুল ইসলাম। ছবি: সংগৃহীত।
সিনিয়র রিপোর্টার
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে রাজধানীর বাড্ডায় হত্যার ঘটনায় করা মামলায় ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কামরুল ইসলামের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন।
প্যানেলের অন্য দুই সদস্য হলেন— বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী। এ মামলায় আজ (বৃহস্পতিবার) মেনন ও কামরুলকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।
এদিন শুরুতেই আসামিপক্ষের অব্যাহতি আবেদন খারিজ করে দেন ট্রাইব্যুনাল। পরে মামলায় আনা তিনটি অভিযোগ পড়েন বিচারক মোহিতুল হক। এরপর কাঠগড়ায় থাকা কামরুল ও মেননকে অভিযোগ স্বীকার করবেন কি না জিজ্ঞেস করা হয়।
এ সময় মেনন দাঁড়িয়ে ট্রাইব্যুনালকে বলেন, আমি নির্দোষ; ন্যায়বিচার চাই। অপরদিকে, এ অভিযোগকে মিথ্যা, বানোয়াট, অসত্য ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেন কামরুল। একইসঙ্গে তিনিও ন্যায়বিচার প্রার্থনা করেন।
পরে অভিযোগ গঠনের আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। এরপর এ মামলায় সূচনা বক্তব্যের জন্য আগামী ৯ জুন দিন ধার্য করা হয়।
প্রসিকিউশনের পক্ষে আজ উপস্থিত ছিলেন চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম, প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম, আবদুস সাত্তার পালোয়ান, মঈনুল করিমসহ অন্যরা।
প্রসিকিউশনের অভিযোগে বলা হয়, শেখ হাসিনার সরকারকে টিকিয়ে রাখতে বিভিন্ন উসকানি দিয়েছেন কামরুল ও মেনন। তারা আওয়ামী লীগ ও ১৪ দলীয় জোটের শীর্ষ পদে থেকে নিরস্ত্র ছাত্র-জনতার ওপর মারণাস্ত্র ব্যবহার এবং কারফিউ জারির প্ররোচনা দেন।
তাদের ধারাবাহিক ষড়যন্ত্রে আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি চালানো হয়। ফলে রাজধানীর বাড্ডাসহ আশপাশের এলাকায় ২৩ জন নিহত হন।
পিপলসনিউজ/এসসি
-- বিজ্ঞাপন --
CONTACT
ads@peoplenewsbd.com