weather ২৬.৪৮ o সে. আদ্রতা ৬৯% , মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বেতন কাঠামো নির্ধারণে মজুরি বোর্ড কী করে?

প্রকাশ :

বেতন কাঠামো নির্ধারণে মজুরি বোর্ড কী করে?

ছবি : সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক
শ্রমিক ও মালিকপক্ষের প্রস্তাব-আপত্তি পর্যালোচনা করে সুপারিশ দেয় নিম্নতম মজুরি বোর্ড। তবে মজুরি কাঠামোর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা সরকারের।

জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়ার সঙ্গে তাল মিলিয়ে পোশাকশ্রমিকদের মজুরি পুনর্নির্ধারণের দাবি দীর্ঘদিনের। বাড়িভাড়া, খাবার, যাতায়াত ও চিকিৎসাসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় বর্তমান মজুরিতে সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন অনেক শ্রমিক। এ পরিস্থিতিতে মাসে ন্যূনতম ৩০ হাজার টাকা মজুরির দাবিতে নতুন করে আন্দোলনে নেমেছেন তারা। মিরপুর, গাজীপুর, সাভার ও আশুলিয়াসহ বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ ও সংঘর্ষের ঘটনায় পোশাকশিল্পের শ্রমিক অসন্তোষ আবারও সামনে এসেছে।

গত রোববার তৈরি পোশাকশিল্পের শ্রমিকদের জন্য নতুন নিম্নতম মজুরি বোর্ড গঠন করেছে সরকার। শ্রমিকদের আন্দোলন ও কারখানা বন্ধের মধ্যে নতুন এই বোর্ড গঠনের ঘোষণা দেন শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। বোর্ডের দায়িত্ব হবে শ্রমিক ও মালিকপক্ষের বক্তব্য, শিল্পের সক্ষমতা এবং জীবনযাত্রার ব্যয়সহ সংশ্লিষ্ট বিষয় পর্যালোচনা করে নতুন মজুরি কাঠামোর সুপারিশ করা।

তবে মজুরি বোর্ড গঠন হলেও প্রশ্ন রয়েছে, এই বোর্ড কীভাবে কাজ করে, কারা এর সদস্য হন, কোন কোন বিষয় বিবেচনায় নিয়ে মজুরি নির্ধারণের সুপারিশ করা হয় এবং শেষ পর্যন্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কে নেন?

নিম্নতম মজুরি বোর্ড কী: কোনো শিল্প খাতের শ্রমিকদের সর্বনিম্ন মজুরি কত হবে, তা নির্ধারণের জন্য সরকার যে বিশেষ বোর্ড গঠন করে, সেটিই নিম্নতম মজুরি বোর্ড। বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬-এর ১৩৮ ধারায় শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীনে এই বোর্ড গঠনের বিধান রয়েছে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট শিল্পের অর্থনৈতিক সক্ষমতা ও বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনায় একটি গ্রহণযোগ্য মজুরি কাঠামোর সুপারিশ করা।

বোর্ড মূলত সরকার, মালিকপক্ষ ও শ্রমিকপক্ষের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে কাজ করে। অর্থাৎ মজুরি নির্ধারণের প্রক্রিয়ায় কোনো একক পক্ষের মতামতই শেষ কথা নয়। বরং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য, যুক্তি ও তথ্য পর্যালোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্তের সুপারিশ তৈরি করা হয়।

বোর্ডে কারা থাকেন: নিম্নতম মজুরি বোর্ডে স্থায়ীভাবে চারজন সদস্য থাকেন। তারা হলেন একজন চেয়ারম্যান, একজন নিরপেক্ষ সদস্য, একজন মালিকপক্ষের প্রতিনিধি এবং একজন শ্রমিকপক্ষের প্রতিনিধি। চেয়ারম্যান সাধারণত জেলা জজ পদমর্যাদার একজন বিচারক হন।

কোনো নির্দিষ্ট শিল্পের মজুরি নির্ধারণ বা পুনর্নির্ধারণের প্রয়োজন হলে ওই শিল্পের মালিক ও শ্রমিকপক্ষ থেকে আরও দুজন প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হয়। ফলে সংশ্লিষ্ট শিল্পের জন্য গঠিত পূর্ণাঙ্গ বোর্ডের সদস্যসংখ্যা দাঁড়ায় ছয়।

এবার তৈরি পোশাকশিল্পের জন্য গঠিত মজুরি বোর্ডের চেয়ারম্যান করা হয়েছে সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ শেখ আশফাকুর রহমানকে। নিরপেক্ষ সদস্য হিসেবে রয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মুসলিউদ্দিন আহমেদ। স্থায়ী মালিকপক্ষের প্রতিনিধি বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশনের যুগ্ম মহাসচিব আসিফ আইয়ুব এবং শ্রমিকপক্ষের প্রতিনিধি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন।

অন্যদিকে পোশাকশিল্পের মালিক প্রতিনিধি হিসেবে রয়েছেন বিজিএমইএর পরিচালক এ বি এম শামসুদ্দিন। শ্রমিক প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বাংলাদেশ গার্মেন্টস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক বাবুল আক্তার।

যেভাবে কাজ শুরু করে মজুরি বোর্ড: সরকার প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে বোর্ড গঠন ও কার্যক্রম শুরুর নির্দেশ দেওয়ার পর চেয়ারম্যান সভা আহ্বান করেন। প্রথম দিকে সংশ্লিষ্ট শিল্পের মালিক ও শ্রমিক প্রতিনিধিদের কাছ থেকে নতুন মজুরি কাঠামোর প্রস্তাব চাওয়া হয়। দুই পক্ষই নিজেদের অবস্থান, দাবি ও যুক্তির পক্ষে প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত উপস্থাপন করে।

শ্রমিকপক্ষ সাধারণত জীবনযাত্রার ব্যয়, মূল্যস্ফীতি, বাড়িভাড়া, খাদ্য ও অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচের হিসাব তুলে ধরে মজুরি বৃদ্ধির প্রস্তাব দেয়। অন্যদিকে মালিকপক্ষ উৎপাদন ব্যয়, ব্যবসার অবস্থা, রপ্তানি আদেশ, আন্তর্জাতিক বাজারের প্রতিযোগিতা এবং শিল্পের আর্থিক সক্ষমতার বিষয়গুলো সামনে আনে।

বোর্ড এসব প্রস্তাব ও যুক্তি পর্যালোচনা করে আলোচনা করে। প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট কারখানা ও শিল্পাঞ্চল পরিদর্শন করে মাঠপর্যায়ের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। শ্রমিকদের আয়, কাজের পরিবেশ, উৎপাদনশীলতা এবং বাস্তব জীবনযাত্রার ব্যয় সম্পর্কেও তথ্য নেওয়া হতে পারে।

মজুরি নির্ধারণে কোন বিষয়গুলো বিবেচনা করা হয়: মজুরি নির্ধারণের ক্ষেত্রে শুধু শ্রমিকদের দাবি কিংবা মালিকদের আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনা করলেই চলে না। একাধিক অর্থনৈতিক ও সামাজিক বিষয় পর্যালোচনা করতে হয়। এর মধ্যে রয়েছে—

১. জীবনযাত্রার ব্যয় ও জীবনমান: খাদ্য, বাসস্থান, চিকিৎসা, শিক্ষা, যাতায়াত এবং অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচ কতটা বেড়েছে, তা বিবেচনায় নেওয়া হয়।

২. মূল্যস্ফীতি ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি: দেশের সামগ্রিক মূল্যস্ফীতি, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং মানুষের ক্রয়ক্ষমতার পরিবর্তন পর্যালোচনা করা হয়।

৩. উৎপাদন খরচ ও উৎপাদনশীলতা: কাঁচামাল, বিদ্যুৎ, গ্যাস, পরিবহনসহ উৎপাদনের বিভিন্ন খরচ এবং শ্রমিকদের উৎপাদনশীলতা বিবেচনা করা হয়।

৪. শিল্পের ব্যবসায়িক সক্ষমতা: সংশ্লিষ্ট শিল্পের আয়, রপ্তানি পরিস্থিতি, আন্তর্জাতিক বাজারের প্রতিযোগিতা এবং ব্যবসায়িক সম্ভাবনা মূল্যায়ন করা হয়।

৫. কাজের ধরন, ঝুঁকি ও দক্ষতা: শ্রমিকের কাজের প্রকৃতি, দায়িত্ব, ঝুঁকি, অভিজ্ঞতা ও দক্ষতার বিষয়গুলোও গুরুত্ব পায়।
এসব বিষয় পর্যালোচনার পর বোর্ড একটি গ্রহণযোগ্য মজুরি কাঠামোর সুপারিশ তৈরি করে।

সুপারিশ থেকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত যেভাবে: মজুরি বোর্ডের কাজ মূলত সুপারিশ প্রণয়ন পর্যন্ত। বাংলাদেশ শ্রম আইন অনুযায়ী, বোর্ড গঠনের নির্দেশ পাওয়ার ছয় মাসের মধ্যে সরকারের কাছে সুপারিশ জমা দেওয়ার বিধান রয়েছে। তবে বোর্ডের অনুরোধে সরকার প্রয়োজন হলে সময় বাড়াতে পারে।

সুপারিশ প্রণয়নের ক্ষেত্রে প্রাথমিক প্রস্তাব, সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য এবং আইন অনুযায়ী নির্ধারিত পর্যালোচনার প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়। সুপারিশ পাওয়ার পর সরকার তা বিবেচনা করে। শ্রমিক বা মালিকপক্ষের জন্য সুপারিশ ন্যায়সংগত হয়নি বলে মনে করলে সরকার ৪৫ দিনের মধ্যে তা পুনর্বিবেচনার জন্য বোর্ডে ফেরত পাঠাতে পারে। বোর্ড পুনরায় পর্যালোচনা করে সংশোধিত সুপারিশ জমা দিলে সরকার পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেয়।

বাংলাদেশ শ্রম আইনের ১৪০ ধারা অনুযায়ী, নতুন নিম্নতম মজুরি চূড়ান্তভাবে ঘোষণা করার ক্ষমতা সরকারের। সরকার গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে নতুন মজুরি কাঠামো কার্যকর করে। গেজেট প্রকাশের পর সংশ্লিষ্ট শিল্পের সব প্রতিষ্ঠানের জন্য ঘোষিত নিম্নতম মজুরি অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক।

অর্থাৎ মজুরি বোর্ডের সুপারিশ গুরুত্বপূর্ণ হলেও সেটিই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয়। শেষ পর্যন্ত সরকারই মজুরি নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেয়।

অতীতে কতবার বেড়েছে পোশাকশ্রমিকদের মজুরি: বাংলাদেশে তৈরি পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি প্রথম নির্ধারণ করা হয় ১৯৮৬ সালে। তখন সর্বনিম্ন মজুরি ছিল ৬২৭ টাকা। এরপর বিভিন্ন সময়ে জীবনযাত্রার ব্যয় ও শিল্পের পরিস্থিতি বিবেচনায় মজুরি বাড়ানো হয়েছে।

১৯৯৪ সালে সর্বনিম্ন মজুরি নির্ধারণ করা হয় ৯৩০ টাকা। ২০০৬ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় ১ হাজার ৬৬২ টাকা ৫০ পয়সা। এরপর ২০১০ সালে ৩ হাজার টাকা, ২০১৩ সালে ৫ হাজার ৩০০ টাকা এবং ২০১৮ সালে ৮ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়।

সর্বশেষ ২০২৩ সালের ১ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হওয়া মজুরি কাঠামোয় পোশাকশ্রমিকদের সর্বনিম্ন মাসিক মজুরি নির্ধারণ করা হয় ১২ হাজার ৫০০ টাকা। অর্থাৎ ১৯৮৬ সালের তুলনায় কয়েক দশকে ন্যূনতম মজুরি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। তবে একই সময়ে জীবনযাত্রার ব্যয়ও বেড়েছে বলে শ্রমিকদের অভিযোগ।

তিন বছর পরপর মজুরি পুনর্নির্ধারণের বিধান: বাংলাদেশ শ্রম আইনে আগে পাঁচ বছর পরপর নিম্নতম মজুরি পুনর্নির্ধারণের বিধান ছিল। তবে ২০২৬ সালের সংশোধনীতে এই সময়সীমা কমিয়ে তিন বছর করা হয়েছে। ফলে শ্রমিকদের মজুরি পুনর্বিবেচনার সুযোগ আগের তুলনায় ঘন ঘন তৈরি হবে।

সেই হিসাবে ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে কার্যকর হওয়া পোশাকশ্রমিকদের সর্বশেষ মজুরি কাঠামোর তিন বছর পূর্ণ হচ্ছে আগামী ডিসেম্বরে। এর আগেই নতুন মজুরি বোর্ড গঠনের ফলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নতুন কাঠামো প্রণয়নের প্রক্রিয়া শুরু হলো।

শ্রমিকদের দাবি ও মালিকদের বাস্তবতা: এবারের আন্দোলনে শ্রমিকদের অন্যতম প্রধান দাবি মাসে ন্যূনতম ৩০ হাজার টাকা মজুরি নির্ধারণ। শ্রমিক নেতাদের বক্তব্য, বাড়িভাড়া, খাদ্য, যাতায়াত, গ্যাস ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় খরচ বেড়ে যাওয়ায় বর্তমান মজুরিতে জীবনধারণ কঠিন হয়ে পড়েছে। তাদের মতে, বাস্তব জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই নতুন মজুরি নির্ধারণ করা প্রয়োজন।

অন্যদিকে মালিকপক্ষ বলছে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা, জ্বালানিসংকট, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি এবং রপ্তানি আদেশ কমে যাওয়ার মতো চ্যালেঞ্জের মধ্যে রয়েছে পোশাকশিল্প। এ অবস্থায় শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করার পাশাপাশি শিল্পের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা ও ব্যবসায়িক বাস্তবতাও বিবেচনায় নিতে হবে।

বিজিএমইএর সহসভাপতি মো. রেজওয়ান সেলিম এবং বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম নতুন মজুরি পর্যালোচনার উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাদের বক্তব্যেও শ্রমিকদের ন্যায্য পাওনা এবং শিল্পের টিকে থাকার মধ্যে ভারসাম্য রাখার বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে।

নতুন বোর্ডের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ: নতুন মজুরি বোর্ডের সামনে এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো শ্রমিকদের প্রকৃত জীবনযাত্রার ব্যয় এবং মালিকদের ব্যবসায়িক সক্ষমতার মধ্যে বাস্তবসম্মত সমন্বয় তৈরি করা। শ্রমিকদের ৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরির দাবির যৌক্তিকতা, মূল্যস্ফীতির প্রভাব এবং শিল্পের আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করতে হবে।

একই সঙ্গে বোর্ডের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা জরুরি। শ্রমিকদের বক্তব্য ও বাস্তব অভিজ্ঞতাকে যথাযথ গুরুত্ব দেওয়ার পাশাপাশি মালিকপক্ষের উপস্থাপিত তথ্যও যাচাই করতে হবে।

পিপলসনিউজ/আরইউ

-- বিজ্ঞাপন --


CONTACT

ads@peoplenewsbd.com

হামের উপসর্গে ৬ মৃত্যু, পাঁচ জনই ঢাকার হামের উপসর্গে ৬ মৃত্যু, পাঁচ জনই ঢাকার সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিলেন মির্জা ফয়সল ও এলিজা জামান সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিলেন মির্জা ফয়সল ও এলিজা জামান অনানুষ্ঠানিক খাতে কর্মরত ৮৪ শতাংশ শ্রমিক : বিশ্বব্যাংক অনানুষ্ঠানিক খাতে কর্মরত ৮৪ শতাংশ শ্রমিক : বিশ্বব্যাংক জামায়াত নেতা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান কারামুক্ত জামায়াত নেতা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান কারামুক্ত মিরপুরে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, বন্ধ মেট্রোরেল স্টেশন মিরপুরে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, বন্ধ মেট্রোরেল স্টেশন