পাঠ্যবইয়ে আদিবাসী গ্রাফিতি বাদ দেওয়ার প্রতিবাদ
এনসিটিবির সামনে দুপক্ষের হাতাহাতি-হামলা, আহত অনেক
প্রকাশ : ১৬-০১-২০২৫ ০০:৩৪

ছবি : সংগৃহীত
নিজস্ব প্রতিবেদক
২০২৫ সালের নবম-দশম শ্রেণির বাংলা দ্বিতীয় পত্র বইয়ের প্রচ্ছদ থেকে ‘আদিবাসী’ শব্দ সংবলিত গ্রাফিতি বাতিল করার প্রতিবাদে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) সামনে অবস্থান নেওয়া শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালিয়েছে ওই চিত্রকর্ম বাদ দেওয়ার পক্ষে অবস্থান নেওয়া অন্যপক্ষ।
বুধবার (১৫ জানুয়ারি) বেলা ১টার দিকে রাজধানীর মতিঝিলে এই হামলার ঘটনায় বেশ কয়েকজনকে আহত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে যেতে দেখেছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।
মতিঝিল থানার পরিদর্শক তদন্ত মোহাইমেনুল ইসলাম বলেন, ছাত্রদের ধাওয়া খেয়ে আদিবাসী বিক্ষোভকারী চলে গেছেন। এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক।
নবম-দশম শ্রেণির বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি বইয়ের পেছনের প্রচ্ছদে ‘আদিবাসী’ শব্দ সংবলিত একটি চিত্রকর্ম স্থান পেয়েছিল। সেখানে একটি গাছের পাঁচটি পাতায় লেখা ছিল মুসলিম, হিন্দু, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ ও আদিবাসী; পাশে লেখা ছিল ‘পাতা ছেঁড়া নিষেধ’।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল শিক্ষার্থী ‘স্টুডেন্ট ফর সভরেন্টি’ ব্যানারে গত ১২ জানুয়ারি এনসিটিবি ঘেরাও করার পর রাতে ওই বইয়ের অনলাইন সংস্করণ থেকে চিত্রকর্মটি সরিয়ে ফেলা হয়।
এর প্রতিবাদে বুধবার বেলা ১১টায় পাঠ্যপুস্তক ভবন ঘেরাওয়ের ঘোষণা দেয় ‘সংক্ষুব্ধ আদিবাসী ছাত্রজনতা’ নামে আদিবাসী শিক্ষার্থীদের একটি সংগঠন। পরে ‘স্টুডেন্টস ফর সভরেন্টি’ও একইসময়ে পাঠ্যপুস্তক ভবন ঘেরাও করার ঘোষণা দেয়।
সেই ঘোষণা অনুযায়ী বুধবার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে সমাবেশ করে ‘সংক্ষুব্ধ আদিবাসী ছাত্রজনতা’। পরে সংগঠনটির সদস্যরা রোকেয়া হল হয়ে কলাভবন ও মধুর ক্যান্টিন প্রদক্ষিণ করে এনসিটিবি ভবন ঘেরাওয়ের উদ্দেশ্য রওনা দেন।
অন্যদিকে ‘স্টুডেন্টস ফর সভরেন্টি’র সদস্যরা বেলা ১১টার দিকেই মতিঝিলে পাঠ্যপুস্তক ভবনের সামনে অবস্থান নেন। ‘সংক্ষুব্ধ আদিবাসী ছাত্রজনতা’ সেখানে পৌঁছালে তৈরি হয় উত্তেজনা।
‘আদিবাসী’ শব্দ রাখার পক্ষে আন্দোলনকারী বিভূতিভূষণ মাহাতো অভিযোগ করে বলেন, ‘স্টুডন্ট ফর সভারেন্টি’র সদস্যরা আগে থেকেই হামলার প্রস্তুতি নিয়েছিলেন। তারা আমাদের হুমকিও দিয়েছিলেন এনসিটিবি ঘেরাও কর্মসূচি না দেওয়ার জন্য। তারা ক্রিকেট স্ট্যাম্পের মাথায় জাতীয় পতাকা নিয়ে প্রস্তুত ছিলেন হামলা করার জন্য।
সংঘর্ষে ধনজেতরা (২৮), অন্তত ধামাই (৩৫), ফুটন্ত চাকমা (২২), ইসাবা শুহরাত (৩২), রেংইয়ং ম্র (২৭), রুপাইয়া শ্রেষ্ঠা তঞ্চঙ্গ্যা (২৫), ডোনায়ই ম্রো (২৫), শৈলী (২৭) ও ডিবিসি টিভির সাংবাদিক জুয়েল মারাকসহ (৩৫) পাহাড়ি ছাত্র-জনতার অন্তত ১৭ জন আহতের খবর পাওয়া গেছে। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পাহাড়ি আন্দোলনকারীদের প্রতিনিধি অলিক মৃ বলেন, এখন পর্যন্ত আহতদের মধ্যে ১৭ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
অন্যদিকে সংঘর্ষের পরে আবারো এনসিটিবির সামনে অবস্থান নেন ‘স্টুডেন্ট ফর সভারেন্টি’ সদস্যরা। এ ঘটনায় সুনির্দিষ্ট তথ্য না থাকলেও ১৫ জনের মতো আহত হওয়ার কথা জানিয়েছেন ‘স্টুডেন্ট ফর সভারেন্টি’র আহ্বায়ক জিয়াউল ইসলাম।
এনসিটিবির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. রিয়াজুল হাসান বলেন, ‘আমি শুনেছি ১৩ থেকে ১৪ জন আহত হয়েছেন। আদিবাসী পরিচয়ধারীদের বেশি আহত হয়েছেন। ধাক্কাধাক্কির মধ্যে পড়ে এনসিটিবি’র একজনও আহত হয়েছেন।’
তিনি আরো বলেন, ‘তারা (পাহাড়ি) যদি এসে আমাদের বলতো, তাহলে আমরা তাদের কথাও শুনতাম। আগে একটি পক্ষ এসে আমাদের কাছে তাদের দাবি জানিয়েছে। তারা এলে তাদের কথাও শুনতাম। অথচ একটি চক্রের ইন্ধনে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করা হয়েছে।’
মতিঝিলের ঘটনায় সাংবাদিকসহ নয়জনকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলে জানান মেডিকেল পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক মো. ফারুক।
আদিবাসী ছাত্র জনতার সঙ্গে আন্দোলনে অংশ নেওয়া শান্তিময় চাকমা সাংবাদিকদের বলেন, আমরা অবস্থান নেওয়ার সময় স্টুডেন্ট ফর সভরেন্টির নামের সংগঠনের অজ্ঞাতনামা কয়েকজন অতর্কিতে লাঠি দিয়ে আমাদের ওপর হামলা চালান।
এর আগে রাজু ভাস্কর্যে ‘আদিবাসী ছাত্র জনতার’ সমাবেশে বাংলাদেশ আদিবাসী ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের সভাপতি অলিক মৃ বলেন, একদল বিচ্ছিন্নতাবাদীর চাপে পড়ে তারা সেই গ্রাফিতি মুছে ফেলেছে। আমাদের বিচ্ছিন্নতাবাদী বলে আখ্যা দিয়েছে। এনসিটিবির কি রাষ্ট্র চালায় নাকি সরকার রাষ্ট্র চালায়? আমরা বাংলাদেশের নাগরিক। আপনাদের যেমন অধিকার আছে, আমাদেরও সেই অধিকার আছে। কিন্তু উল্টো আমাদের বিচ্ছিন্নতাবাদী বলে আখ্যা দিচ্ছেন তারা।
পাঠ্যবইয়ে ‘আদিবাসী’ শব্দ সংবলিত ওই চিত্রকর্ম পুনর্বহালের দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, এখন থেকে পাঠ্যবইয়ে আদিবাসীদের যথাযথ মর্যাদা থাকতে হবে।
এই আন্দোলনের কারণ জানতে চাইলে ‘স্টুডেন্টস ফর সভরেন্টি’র আহ্বায়ক মুহম্মদ জিয়াউল হক জিয়া মঙ্গলবার বলেছিলেন, পাঠ্যবইয়ের কভার পৃষ্ঠার রাষ্ট্রদ্রোহী পরিভাষা ‘আদিবাসী’ যুক্ত অখণ্ড ভারতের কল্পিত গ্রাফিতিটি বাদ দেওয়ায় আমাদের আংশিক দাবি পূরণ হয়েছে মাত্র। কিন্তু পরিমার্জন কমিটিতে থাকা রাখাল রাহা ওরফে সাজ্জাদকে অপসারণ এবং এর সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করতে তদন্ত কমিটি গঠনের দাবি ছিল। এনসিটিবি আমাদের আশ্বাস দিয়েছিল আমাদের দাবি মেনে নেবে, তদন্ত কমিটি করবে। কিন্তু এখনো আমাদের এই দাবিগুলোর বাস্তবায়ন হয়নি। তাই আমরা পুনরায় বিক্ষোভ সমাবেশ এবং এনসিটিবি ঘেরাও কর্মসূচি দিতে বাধ্য হয়েছি।
এ সংগঠনটির যুগ্ম আহ্বায়ক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মুহম্মদ মুহিউদ্দীন রাহাত বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীরা বিদেশি প্ররোচনায় ২০০৭ সাল থেকে নিজেদেরকে আদিবাসী দাবি করলেও তারা তা নয়। তারা বিভিন্ন অঞ্চল থেকে এসে আমাদের ভুখণ্ডে বাঙালিদের সঙ্গে সহাবস্থান করছে। আদিবাসী বলতে বোঝায় আদি বাসিন্দা। কিন্তু পার্বত্য চট্টগ্রামের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের আদি নিবাস হচ্ছে পার্শ্ববর্তী মিয়ানমার, ভারত, কম্বোডিয়া, থাইল্যান্ড ইত্যাদি রাষ্ট্রগুলোতে। ২০০৭ সালে জাতিসংঘের ৬১তম অধিবেশনে আদিবাসী বিষয়ক একটি ঘোষণাপত্র উপস্থাপন করা হয়, ওই ঘোষণাপত্রে এমন কিছু বিতর্কিত অনুচ্ছেদ রয়েছে যেগুলো বাস্তবায়ন করতে গেলে আদিবাসী অঞ্চলের ওপর রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ ও অখণ্ডতা থাকে না। দেশে কোনো উপজাতীয় আদিবাসী না থাকায় বাংলাদেশ ওই ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর করেনি। ওই ঘোষণাপত্রের একটি অনুচ্ছেদে আদিবাসীদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার ও আরেকটি অনুচ্ছেদে স্বায়ত্তশাসন ও নিজস্ব সরকার গঠনের অধিকার দেওয়া হয়েছে। দেশের সার্বভৌমত্ব ও অখণ্ডতার জন্য হুমকি হওয়ায় আমরা সংবিধানবিরোধী ওই শব্দ পাঠ্যবই থেকে বাতিলের দাবি জানিয়েছিলাম।
জাতীয় নাগরিক কমিটির প্রতিবাদ
এদিকে সংক্ষুব্ধ আদিবাসী ছাত্র-জনতার ওপর হামলার ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়েছে জাতীয় নাগরিক কমিটি। গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে তারা জানিয়েছে, মতিঝিলে এনসিটিবি ভবনের সামনে স্টুডেন্টস ফর সভরেন্টি নামের সংগঠনের হামলায় বিভিন্ন জাতিসত্তার নাগরিকেরা মারাত্মক আহত হয়েছেন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য রুপাইয়া শ্রেষ্ঠা তঞ্চঙ্গ্যাসহ আরো অনেকেই বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘হামলার সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সরব ভূমিকা পালন করতে দেখা যায়নি। তারা সক্রিয় ভূমিকা পালন করলে এ ধরনের ন্যক্কারজনক হামলা দেখতে পেতাম না। মিছিল কিংবা সমাবেশে হামলা পতিত নিষিদ্ধ ফ্যাসিবাদী সংগঠন ছাত্রলীগের কায়দার বহিঃপ্রকাশ।’
হামলাকারীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়েছে, ফ্যাসিবাদ-উত্তর বাংলাদেশে নাগরিকদের মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে যারা হামলা করে বাধাগ্রস্ত করতে চায়, তাদের অতিসত্বর আইনের আওতায় আনতে হবে। ভিডিও ফুটেজ তদন্ত করে এই হামলার সঙ্গে জড়িত প্রত্যেককে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে হবে।
ষড়যন্ত্রের ফাঁদে পা না দিতে শিক্ষার্থীদের আহ্বান হাসনাতের
বিদেশি ষড়যন্ত্রের ফাঁদে পা না দিতে আদিবাসী শিক্ষার্থীসহ অন্যান্য পেশার মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ। বুধবার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নির্বাহী সদস্য রুপাইয়া শ্রেষ্ঠা তঞ্চঙ্গাসহ অন্যান্য আদিবাসী শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদের এক সমাবেশে এ কথা বলেছেন তিনি।
সন্ধ্যায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, দেশের ভূখণ্ড বিভাজনের জন্য দেশে ও বিদেশে বিভিন্ন রকম ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। এই বিভাজনের বিপক্ষে আপনাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
তিনি আরো বলেন, আমাদের মতপার্থক্য সমাধান করার জন্য গোলটেবিলের আলোচনা উন্মুক্ত রয়েছে। আলোচনার মাধ্যমেই আমরা সমাধানের পথ খুঁজব।
হাসনাত বলেন, ‘বাঙালি বাঙালি স্লোগান দিয়ে, বাঙালি ছাড়া অন্য জাতিসত্ত্বার লোকদের অস্বীকার করার চেষ্টা চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানে থামিয়ে দেওয়া হয়েছে। পরিচয় যাই হোক যারা হামলায় অংশগ্রহণ করেছে তাদের গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় আনতে হবে।’
খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটিতে প্রতিবাদ
ঢাকায় ‘সংক্ষুব্ধ আদিবাসী ছাত্রজনতা’র এনসিটিবি ঘেরাও কর্মসূচিতে ‘স্টুডেন্টস ফর সভারেন্টি’ সংগঠনের নেতাকর্মীদের হামলার ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ (পিসিপি)।
বুধবার বিকালে পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের সভাপতি অঙ্কন চাকমা ও সাধারণ সম্পাদক অমল ত্রিপুরা সংবাদ মাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে হামলার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক থুইলাপ্রু মারমা স্বাক্ষরিত এই প্রেস বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।
রাঙামাটিতে পাহাড়ের ৩ ছাত্র-নারী সংগঠনের প্রতিবাদ
পাঠ্যবই থেকে ‘আদিবাসী’ শব্দযুক্ত চিত্রকর্ম বাদ দেওয়ার প্রতিবাদ ও পুনর্বহালের দাবিতে ‘সংক্ষুব্দ আদিবাসী ছাত্রজনতা’র কর্মসূচিতে ‘স্টুডেন্ট ফর সভারেন্টি’ সংগঠনের সদস্যদের হামলার ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে পাহাড়ের তিনটি ছাত্র ও নারী সংগঠন।
বুধবার বিকালে সংবাদ মাধ্যমে পাঠানো আলাদা বিবৃতিতে হামলার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবি জানিয়েছে সংগঠনগুলো। বিবৃতি দেওয়া তিন সংগঠন হল- সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (পিসিজেএসএস) সহযোগী সংগঠন পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ (পিসিপি) ও হিল উইমেন্স ফেডারেশন (এইচডব্লিউএফ) এবং প্রসিত বিকাশ খীসার নেতৃত্বাধীন ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (ইউপিডিএফ) সহযোগী সংগঠন বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ (পিসিপি)।
অন্যদিকে হামলার ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে ইউপিডিএফের সহযোগী সংগঠন চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের (পিসিপি) সভাপতি অঙ্কন চাকমা ও সাধারণ সম্পাদক অমল ত্রিপুরা সংবাদ মাধ্যমে বিবৃতি দিয়েছেন।
পিপলসনিউজ/আরইউ
-- বিজ্ঞাপন --
CONTACT
ads@peoplenewsbd.com