weather ২৬.৯৯ o সে. আদ্রতা ৭৪% , শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫, ২০ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

কাদা ছোড়াছুড়ি চললে সার্বভৌমত্ব বিপন্ন হবে: সেনাপ্রধান

প্রকাশ : ২৫-০২-২০২৫ ২৩:৫৯

ছবি : সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক
আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রত্যাশার কথা জানিয়ে মারামারি-কাটাকাটি আর কাদা ছোড়াছুড়ি বন্ধ করার জন্য সব পক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। তা না হলে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বিপন্ন হবে বলে হুঁশিয়ার করেছেন তিনি। তিনি বলেন, আমি আজকে বলে দিলাম, নইলে বলবেন সতর্ক করিনি। আমরা সবাই সুখে-শান্তিতে থাকতে চাই। আমরা চাই না হানাহানি, কাটাকাটি, মারামারি।

২০০৯ সালে তৎকালীন বিডিআর (বর্তমান বিজিবি) সদর দপ্তর পিলখানায় সংঘটিত নির্মম হত্যাকাণ্ডে শাহাদতবরণকারী সেনা কর্মকর্তাদের স্মরণে মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দেশে প্রথমবারের মতো ‘জাতীয় শহীদ সেনা দিবস’ পালন করা হয়। দিবসটি উপলক্ষে রাজধানীর মহাখালীর রিটায়ার্ড আর্মড ফোর্সেস অফিসার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন (রাওয়া) ক্লাবের হেলমেট হলে ‘পিলখানায় সংগঠিত নির্মম হত্যাকাণ্ডে শাহাদাত বরণকারী শহীদ অফিসারদের স্মরণে’ আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন সেনাপ্রধান।

তিনি বলেন, আসেন আমরা নিজেদের মধ্যে মারামারি-কাটাকাটি না করে দেশ জাতি যেন একসঙ্গে থাকতে পারি সেদিকে কাজ করি। আমাদের মধ্যে মতের বিরোধ থাকতে পারে, চিন্তা-চেতনার বিরোধ থাকতে পারে, কিন্তু দিনশেষে যেন আমরা সবাই দেশ ও জাতির দিকে খেয়াল করে সবাই যেন এক থাকতে পারি।

কেবল এক থাকলেই এ দেশ উন্নত হবে, সঠিকপথে পরিচালিত হবে মন্তব্য করে সেনাপ্রধান বলেন, না হলে আমরা আরো সমস্যার মধ্যে পড়তে যাব। আমরা ওইদিকে যেতে চাই না। আমি আপনাদের সতর্ক করে দিচ্ছি। পরে বলবেন সতর্ক করিনি। আপনারা যদি নিজেদের মধ্যে ভেদাভেদ ভুলে একসঙ্গে কাজ করতে না পারেন, নিজেরা যদি কাদা ছোড়াছুড়ি করেন। মারামারি কাটাকাটি করেন, দেশ ও জাতির স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বিপন্ন হবে।

জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, আমি আপনাদের সতর্ক করে দিচ্ছি। এই দেশ আমাদের সবার। আমরা সবাই সুখে শান্তিতে থাকতে চাই। সেই উদ্দেশ্যে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের আশা

দেশে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিষয়ে আশাবাদ জানিয়েছেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। তিনি বলেন, আমরা দেশে একটি ফ্রি, ফেয়ার অ্যান্ড ইনক্লুসিভ ইলেকশনের জন্য (সামনের) দিকে ধাবিত হচ্ছি। তার আগে যেসব সংস্কার করা প্রয়োজন, অবশ্যই সরকার এদিকে হেল্প করবে।

এ প্রসঙ্গে সেনাপ্রধান আরো বলেন, আমি যতবারই ড. ইউনূসের সঙ্গে কথা বলেছি হি কমপ্লিটলি অ্যাগ্রিজ উইথ মি, দেয়ার শুড বি ফ্রি, ফেয়ার অ্যান্ড ইনক্লুসিভ ইলেকশন অ্যান্ড দ্যাট ইলেকশন শুড বি উইদিন ডিসেম্বর অর... (আমি যতবারই ড. ইউনূসের সঙ্গে কথা বলেছি তিনি সম্পূর্ণভাবে আমার সঙ্গে একমত হয়েছেন যে, একটি অবাধ, সুস্ঠু ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচন হওয়া উচিত এবং সেই নির্বাচন হওয়া উচিত ডিসেম্বরের মধ্যে বা...)। যেটি আমি প্রথমেই বলেছিলাম যে ১৮ মাসের মধ্যে একটা ইলেকশন। আমার মনে হয়, সরকার সেদিকেই ধাবিত হচ্ছে। ড. ইউনূস যথাসাধ্য চেষ্টা করে যাচ্ছেন, যে দেশটাকে ইউনাইটেড রাখতে। কাজ করে যাচ্ছেন উনি, তাকে আমাদের সাহায্য করতে হবে, উনি যেন সফল হতে পারেন। সেদিকে আমরা সবাই চেষ্টা করব। আমরা একসঙ্গে ইনশাআল্লাহ কাজ করে যাব।

আমার অন্য কোনো আকাঙ্ক্ষা নেই

জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, আজকে একটু স্পষ্ট করে কথা বলতে চাই। আপনাদের সবার হয়তো ভালো লাগতে নাও পারে। কিন্তু বিশ্বাস করেন, এটি যদি গ্রহণ করেন, আপনারা লাভবান হবেন। কোনো ক্ষতি হবে না দেশের। আমার অন্য কোনো আকাঙ্ক্ষা নেই, একটিই আকাঙ্ক্ষা। দেশ এবং জাতিকে একটি সুন্দর জায়গায় রেখে...এনাফ ওয়াজ লাস্ট সেভেন-এইট মান্থস ইজ এনাফ। আমি চাই দেশ এবং জাতিকে একটা সুন্দর জায়গায় রেখে আমরা সেনানিবাসে ফেরত আসব।

দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি খারাপ হওয়ার পেছনে কিছু কারণ তুলে ধরে সেনাপ্রধান বলেন, প্রথম কারণটি হচ্ছে আমরা নিজেরা হানাহানির মধ্যে ব্যস্ত। একজন আরেকজনের বিরুদ্ধে বিষোদগারে ব্যস্ত। এটি একটা চমৎকার সুযোগ অপরাধীদের জন্য। যেহেতু আমরা একটি অরাজক পরিস্থিতির মধ্যে বিরাজ করছি, তারা খুব ভালোভাবেই জানে এই সময় যদি এই সমস্ত অপরাধ করা যায়, তাহলে এখান থেকে পরিত্রাণ পাওয়া সম্ভব। সে কারণে এই অপরাধগুলো হচ্ছে। আমরা যদি সংগঠিত, একত্রিত থাকি, তাহলে অবশ্যই সম্মিলিতভাবে এটি মোকাবেলা করা সম্ভব হবে।

সেনাপ্রধান বলেন, পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি, ডিজিএফআই, এনএসআই- সব সংস্থাই অতীতে দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজ করেছে। আজকে দেশের যে স্থিতিশীলতা, দেশকে যে এতবছর স্থিতিশীল রাখা হয়েছে, এটির কারণ হচ্ছে এই সসস্ত্র বাহিনীর বহু সদস্য, সিভিলিয়ান সবাই মিলে এই অর্গানাইজেশনগুলোকে ইফেক্টিভ রেখেছে। সেজন্য আজকে এতদিন ধরে একটা সুন্দর পরিবেশ পেয়েছি।

তবে অপরাধ করলে তার শাস্তিও যে হতে হবে, সে কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, না হলে সেই জিনিস আবার ঘটবে। আমরা সেটিকে বন্ধ করতে চাই চিরতরে। কিন্তু তার আগে মনে রাখতে হবে, আমরা এমনভাবে কাজটা করব, এই সমস্ত অর্গানাইজেশনগুলোকে যেন আন্ডারমাইন করা না হয়। আজকে পুলিশ সদস্য কাজ করছে না, একটি বিশাল বড় কারণ হচ্ছে অনেকের বিরুদ্ধে মামলা, অনেকে জেলে।

র‌্যাব, বিজিবি, ডিজিএফআই, এনএসআইয়ের বিরুদ্ধে গুম-খুনসহ বিভিন্ন দোষোরোপের তদন্ত চলছে জানিয়ে জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, অবশ্যই তদন্ত চলবে, দোষীদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। এমনভাবে কাজটি করতে হবে, যেন এ অর্গানাইজেশনগুলো আন্ডারমাইন্ড না হয়। এই অর্গানাইজেশনগুলোকে আন্ডারমাইন করে যদি আপনারা মনে করেন যে দেশে শান্তি শৃঙ্খলা বিরাজ করবে, সবাই শান্তিতে থাকবেন, এটি হবে না। সেটি সম্ভব না, আমি আপনাদের স্পষ্ট করে বলে দিচ্ছি।

দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব শুধু সেনাবাহিনীর না মন্তব্য করে তিনি বলেন, দুই লাখ পুলিশ আছে, বিজিবি আছে, র‌্যাব আছে, আনসার ভিডিপি আছে। আমার আছে ৩০ হাজার সৈন্য। আমি ৩০ হাজার সৈন্য দিয়ে আমি কীভাবে এটি পূরণ করব? ৩০ হাজার থাকে, তারা চলে যায় ক্যান্টনমেন্টে, আরো ৩০ হাজার আসে। এটি দিয়ে আমরা দিন রাত চেষ্টা করে যাচ্ছি।

দেশের উশৃঙ্খল কাজগুলো আমাদের নিজস্ব তৈরি বলেও মন্তব্য করেন সেনাপ্রধান। তিনি বলেন, বিপরীতমুখী কাজ করলে দেশে কখনো শান্তি শৃঙ্খলা আসবে না। জিনিসটি আপনাদের মনে রাখতে হবে।

পিলখানা হত্যাকাণ্ড বিজিবি সদস্যদের হাতেই

১৬ বছর আগে পিলখানায় সেনা সদস্যদের হত্যার ঘটনা তখনকার বিজিবি সদস্যরাই ঘটিয়েছে বলে মন্তব্য করেন সেনাপ্রধান।

নিজেকে সেই বর্বরতার চাক্ষুস স্বাক্ষী হিসেবে তুলে ধরে তিনি বলেন, এই বর্বরতা কোনো সেনা সদস্য করেনি। সম্পূর্ণটাই তদানীন্তন বিজিবি সদস্য দ্বারা সংগঠিত। ফুল স্টপ, এখান কোনো ইফ এবং বাট নাই। এখানে যদি ইফ এবং বাট আনেন, এই যে বিচারিক কার্যক্রম এতদিন ধরে হয়েছে, ১৬-১৭ বছর ধরে যারা জেলে আছে, যারা সাজাপ্রাপ্ত, সেই বিচারিক প্রক্রিয়া ব্যহত হবে। এই জিনিসটি খুব পরিষ্কার মনে রাখা প্রয়োজন। এই বিচারিক প্রক্রিয়াকে নষ্ট করবেন না।

২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি সীমান্তরক্ষা বাহিনীর সদর দপ্তরে একসঙ্গে ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জনকে হত্যা করা হয়। বিডিআরের দরবার হল থেকে সূচনা হওয়া ওই বিদ্রোহের ইতি ঘটে নানা ঘটন-অঘটনের মধ্য দিয়ে। সেই বিদ্রোহের পর সীমান্ত রক্ষা বাহিনী বিডিআরের নাম বদলে যায়, পরিবর্তন আসে পোশাকেও। এ বাহিনীর নাম এখন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বা বিজিবি।

বিদ্রোহ ও হত্যা মামলার বিচার হলেও ক্ষমতার পালাবদলের পর পুনরায় তদন্তের দাবি ওঠে। সেই পরিপ্রেক্ষিতে গত ডিসেম্বরের সাত সদস্যের স্বাধীন তদন্ত কমিশন গঠন করে অন্তর্বর্তী সরকার।

মঙ্গলবারের অনুষ্ঠানে সেনাপ্রধান বলেন, যে সমস্ত সদস্য শাস্তি পেয়েছে, তারা শাস্তি পাওয়ার যোগ্য। এখানে কোনো রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এর মধ্যে জড়িত ছিল কিনা, বাহিরের কোনো শক্তি এর মধ্যে জড়িত ছিল কিনা সেটির জন্য কমিশন করা হয়েছে। কমিশন সেটি বের করবেন এবং আপনাদের জানাবেন। বটমলাইন হচ্ছে আমাদের এই চৌকস সেনাসদস্যরা যারা প্রাণ হারিয়েছেন, তারা প্রাণ হারিয়েছেন তদানীন্তন বিডিআর সদস্যদের গুলিতে। আমরা এ সমস্ত জিনিস নিয়ে অনেক ভিন্নমত পোষণ করছি কেউ কেউ। এই জিনিসটাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করছি। সেটি আমাদের জন্য মঙ্গলজনক হবে না।

তিনি বলেন, আমরা নিজেরা ভেদাভেদ সৃষ্টি না করি। আমরা নিজেরা ইউনাইটেড থাকি। আমাদের মধ্যে যদি কোনো সমস্যা থেকে থাকে, কোনো ব্যত্যয় থেকে থাকে সেটি আমরা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করব। এটির জন্য ডানে-বামে দৌড়ে কোনো লাভ হবে না, নিজের ক্ষতি ছাড়া কোনো লাভ হবে না। আমি আপনাদের এই জিনিসটা নিশ্চিত করে দিচ্ছি। কিছু কিছু সদস্যদের দাবি, তারা ২০০৯ সাল থেকে আজ পর্যন্ত বিভিন্ন শাস্তি পেয়েছেন। কেউ কেউ দাবি করছেন, তারা অযাচিতভাবে শাস্তি পেয়েছেন। এটির জন্য আমি একটা বোর্ড করে দিয়েছি। একজন লেফটেন্যান্ট জেনারেল সেই বোর্ডের সদস্য। প্রথম ধাপে ৫১ জন সদস্যের ব্যাপারে আমার কাছে রেকমেন্ডেশন নিয়ে এসেছে। রেকমেন্ডেশনের অধিকাংশ আমি গ্রহণ করেছি। নৌবাহিনী এবং বিমানবাহিনীও তাদের এই কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

সেনাপ্রধান বলেন, যদি কেউ অপরাধ করে থাকে, সেটির জন্য কোনো ছাড় হবে না, বিন্দুমাত্র ছাড় নেই। আমি আপনাদের স্পষ্ট করে দিচ্ছি। এটি একটি ডিসিপ্লিনড ফোর্স, ডিসিপ্লিনড ফোর্সকে ডিসিপ্লিনে থাকতে দেন। আজকে দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে সমস্ত বাহিনী সমস্ত অর্গানাইজেশন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। খালি সেনাবাহিনী টিকে আছে। বিমানবাহিনী, নৌবাহিনী টিকে আছে। কেন? বিকজ অব ডিসিপ্লিন। আমি আমার অফিসারদের আদেশ দিয়েছি, যদি সামান্যতম কোনো সন্দেহের অবকাশ থাকে যে কারো বিরুদ্ধে অ্যাকশন নেওয়া হয়েছে, অপরাধী কিনা, যদি সামান্য কোনো সন্দেহের অবকাশ থাকে, সেটি তাদের ফেবারে যাবে। এটি হচ্ছে আমার ঢালাও নির্দেশ।

সেনাবাহিনীকে প্রতিআক্রমণ করবেন না

বক্তব্যে সেনাবাহিনীর প্রতি আক্রমণাত্মক কথা না বলার আহ্বান জানিয়েছেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। তিনি বলেন, একটি কমন জিনিস আমি দেখতে পাচ্ছি, সেনাবাহিনী এবং সেনাপ্রধানের প্রতি বিদ্বেষ কারো কারো। কী কারণে আজ পর্যন্ত আমি এটা খুঁজে পাইনি।

এ প্রসঙ্গে সেনাপ্রধান আরো বলেন, আমরা হচ্ছি একমাত্র ফোর্স যেটি আপনাদের জন্য কাজ করে যাচ্ছি, দাঁড়িয়ে আছি প্ল্যাটফর্মে। অবকোর্স নেভি অ্যান্ড এয়ারফোর্স, নেভি চিফ আবার মন খারাপ করে আবার ইয়ে করছে। নেভি, এয়ারফোর্স উই অল। আমাদের সাহায্য করেন, আমাদের আক্রমণ করবেন না। আমাদের অনুপ্রাণিত করেন, আমাদের উপদেশ দেন। ...আমাদের প্রতিআক্রমণ করবেন না। উপদেশ দেন, আমরা অবশ্যই ভালো উপদেশ গ্রহণ করব। আমরা একসঙ্গে থাকতে চাই এবং দেশ ও জাতিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই।

এ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানোয় রাওয়া ক্লাবের চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ আবদুল হকের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান সেনাপ্রধান। তিনি বলেন, উনি আমাকে সুযোগ করে দিয়েছেন আজকে এখানে আপনাদের সঙ্গে এসে কথা বলার জন্য। একটু মন খুলেই কথা বললাম। এত দিন যে কথা মনের মধ্যে ছিল, সব সময় প্রকাশ করতে পারি না, প্রকাশ করাও যায় না। আজকে প্রকাশ করে ফেললাম।

পিপলসনিউজ/আরইউ

-- বিজ্ঞাপন --


CONTACT

ads@peoplenewsbd.com

সৌদি আরবে চাঁদ দেখা গেছে, ঈদ রবিবার সৌদি আরবে চাঁদ দেখা গেছে, ঈদ রবিবার বৈদেশিক মুদ্রার মোট রিজার্ভ ২৫ দশমিক ৪৪ বিলিয়ন ডলার বৈদেশিক মুদ্রার মোট রিজার্ভ ২৫ দশমিক ৪৪ বিলিয়ন ডলার ছত্তিশগড়ে অভিযানে ১৬ মাওবাদী গেরিলা নিহত ছত্তিশগড়ে অভিযানে ১৬ মাওবাদী গেরিলা নিহত নাটোরে পুরাতন ডিসি বাংলোতে সংসদ নির্বাচনের ১০০ বস্তা ব্যালট পেপার নাটোরে পুরাতন ডিসি বাংলোতে সংসদ নির্বাচনের ১০০ বস্তা ব্যালট পেপার রবিবার জানা যাবে বাংলাদেশে কবে ঈদ রবিবার জানা যাবে বাংলাদেশে কবে ঈদ