weather ২৮.৯৯ o সে. আদ্রতা ৮৪% , মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট কেটে যাবে, আশ্বাস সরকারের

প্রকাশ :

গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট কেটে যাবে, আশ্বাস সরকারের

ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক
দেশে বিরাজমান বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট কাটিয়ে শিল্প-কলকারখানা ও সামগ্রিক অর্থনীতিকে সচল রাখতে সুনির্দিষ্ট স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে সরকার। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে দেশের ২১টি শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী সংগঠন ও গণমাধ্যমের প্রতিনিধিদের সঙ্গে তিন ঘণ্টাব্যাপী এক উচ্চপর্যায়ের মতবিনিময় সভায় এসব দিকনির্দেশনা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট আশ্বাস দিয়ে জানান, মেরামত শেষে দুর্ঘটনার শিকার ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল চালু হওয়ায় মঙ্গলবার (আজ) সন্ধ্যা থেকেই শিল্প-কলকারখানায় গ্যাস সরবরাহ আগের (আগস্টের সংকট ঘনীভূত হওয়ার আগের) স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে। ১৬ বছরের পুঞ্জীভূত এই সংকট রাতারাতি সমাধান সম্ভব না হলেও সরকারের আন্তরিকতা ও সুনির্দিষ্ট কর্ম-পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে তিনি দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে ব্যবসায়ী ও গণমাধ্যমের সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেন।

একই সভায় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত ‘বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ পথরেখা’ শীর্ষক প্রতিবেদনে সরকারের ২, ৫ ও ১০ বছর মেয়াদি রূপরেখা উপস্থাপন করেন। প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন ও এফবিসিসিআই প্রশাসক ফজলুল হক বৈঠকের সারসংক্ষেপ সাংবাদিকদের অবহিত করেন। ঘোষিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, গ্যাসের সংকট স্থায়ীভাবে মোকাবিলায় ২০২৮ সালের আগেই নতুন একটিসহ মোট পাঁচটি এফএসআরইউ (ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল) স্থাপন, স্থলভিত্তিক এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণ এবং ৩০০টি নতুন গ্যাস কূপ (প্রথম পর্যায়ে ১৫০টি এবং পরবর্তী পর্যায়ে আরও ১৫০টি) খননের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তেল, গ্যাস ও কয়লাভিত্তিক সমন্বিত উৎপাদন ব্যবস্থার পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব সৌরবিদ্যুৎকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে দেশের বিদ্যুৎ খাতকে বৈচিত্র্যময় ও জ্বালানিতে পূর্ণ স্বয়ংসম্পূর্ণ করার অঙ্গীকার করা হয়েছে।

শিল্প-কলকারখানা মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে আগের মতো গ্যাস পাবে-প্রধানমন্ত্রী: শিল্প-কলকারখানায় মঙ্গলবার (আজ) সন্ধ্যা থেকে আগের মতো গ্যাস সরবরাহ হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি সরকারের ‘জ্বালানি পরিকল্পনা’ বাস্তবায়নে ব্যবসায়ী ও গণমাধ্যমের সর্বাত্মক সহযোগিতাও চেয়েছেন।

সোমবার দুপুরে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে ব্যবসায়ী ও গণমাধ্যমের ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেছেন বলে বৈঠক শেষে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব হাসান শিপুল। তিনি বলেন, দেশে অস্থিতিশীলতা না করে সরকার তার মেয়াদে যাতে পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সুযোগ পায় সেজন্য সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

ব্যবসায়ী ও গণমাধ্যমের প্রতিনিধিদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘আমাদের সহযোগিতা করবেন যাতে আমরা আপনাদের জন্য আরও ভালো কিছু করতে পারি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক করতে সরকার একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা ধরে কাজ করছে। এ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে ব্যবসা-বাণিজ্যের পাশাপাশি সামগ্রিক অর্থনীতিরও উপকার হবে।

তিন ঘণ্টার এ মতবিনিময় সভায় জ্বালানি সংকট, সংকট উত্তরণে নেওয়া পদক্ষেপ, সরকারের ঘোষিত ১০ বছর মেয়াদি জ্বালানি পরিকল্পনা এবং করণীয় নিয়ে খোলামেলা আলোচনা হয়। ব্যবসায়ী এবং সাংবাদিক ও গণমাধ্যমের ব্যক্তিরা জ্বালানি সংকট উত্তরণে তাদের মতামত ব্যক্ত করেন।

সভায় ‘বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ পথরেখা’ শীর্ষক একটি প্রতিবেদন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত উপস্থাপন করেন।

উপ প্রেস সচিব শিপলু বলেন, ব্যবসায়ী ও গণমাধ্যমের ব্যক্তিদের মতামত আগ্রহ নিয়ে শুনেছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের বর্তমান সংকট উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া সমস্যা। এ সংকট ছয় মাস বা এক বছরের মধ্যে পুরোপুরি সমাধান করা সম্ভব নয়। তবে সরকার সমস্যা চিহ্নিত করে পরিকল্পনা তৈরি করেছে এবং এখন সেগুলো বাস্তবায়নের পর্যায়ে রয়েছে।

দেশের বর্তমান গ্যাস সংকটের কারণ ব্যাখ্যা করে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, দেশের দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের একটিতে দুর্ঘটনার কারণে সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে শিল্পকারখানাসহ বিভিন্ন খাতে। তবে দুর্ঘটনাজনিত সমস্যাটি ইতোমধ্যে সমাধান করা হয়েছে। আমরা আশা করছি, ইনশাল্লাহ, মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে গ্যাসের সরবরাহ এক-দেড় মাস আগে যে অবস্থায় ছিল, সে রকম একটা অবস্থায় ফিরে আসবে।

বৈঠক শেষে এফবিসিসিআই প্রশাসক ফজলুল হক বলেন, গ্যাস ও বিদ্যুতের সাম্প্রতিক সংকট কাটিয়ে শিল্প-কারখানায় সরবরাহ আগের অবস্থায় ফিরবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বৈঠকে বিজিএমইএ, মেট্রো চেম্বার, আইসিসিবি, ঢাকা চেম্বার, বিটিএমএ, বিকেএমইএসহ ২১টি ব্যবসায়ী সংগঠনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রায় তিন ঘণ্টা বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী।

ফজলুল হক বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, মঙ্গলবার রাত থেকেই আমাদের নতুন করে যে সংকট তৈরি হয়েছে, এর আগের যে অবস্থায় আমরা ছিলাম, গ্যাস-বিদ্যুতের ওই অবস্থায় ফিরে যেতে পারব। এটা অনুষ্ঠিত বৈঠকের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি, সবচেয়ে বড় স্বস্তির খবর।’

‘আগের অবস্থা’ বলতে কোন সময়ের পরিস্থিতি বোঝানো হয়েছে, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে ফজলুল হক বলেন, ‘আগস্ট মাসে যে সংকট ঘনীভূত হয়েছে, তার আগের অবস্থায়।’

ফজলুল হক বলেন, ‘শুধু ব্যবসা-বাণিজ্য নয়, সমাজের প্রতিটি স্তরের লোকজনই জ্বালানিসংকটে কমবেশি ভুগছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, মঙ্গলবার রাত থেকেই গ্যাস-বিদ্যুৎ সরবরাহ প্রবাহে এর আগের অবস্থায় ফিরে যেতে পারব।’

গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট সমাধানে ৫ এলএনজি টার্মিনাল, ৩০০ কূপ খননের পরিকল্পনা: ফজলুল হক কথা বলার আগে সাংবাদিকদের বৈঠক সম্পর্কে অবহিত করেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন। তিনি বলেন, এই অভূতপূর্ব আয়োজনের মাধ্যমে মূলত ব্যবসার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বাংলাদেশের কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, শিল্পায়নের জন্য যে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াদি রয়েছে, বিশেষভাবে বিদ্যুৎ, গ্যাস, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

মাহদী আমিন জানান, বিদ্যুৎ-সংকট মোকাবিলায় পাঁচটি টার্মিনাল নির্মাণসহ দীর্ঘমেয়াদি কয়েকটি পরিকল্পনা নিয়ে কাজ শুরু হয়েছে। ১৬ বছরের পুঞ্জীভূত সংকট দ্রুতই সমাধান সম্ভব নয়।

মাহদী আমিন আরও বলেন, ‘গ্যাস-বিদ্যুৎ ও কয়লা থেকে একটা সমন্বিত উৎপাদনমুখী ব্যবস্থা, যেখানে আমাদের বিদ্যুতের স্বনির্ভরতা থাকবে এবং এর পাশাপাশি বিশেষভাবে সৌরশক্তিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।’

মাহাদী আমিন আরও বলেন, ‘সামনের দিনগুলোতে আমাদের বিদ্যুৎ খাত বৈচিত্র্যময় হবে এবং আমাদের জ্বালানি সম্পদে স্বয়ংসম্পূর্ণ হব।’

মাহদী আমিন বলেন, ‘বিদ্যুৎ, গ্যাস, জ্বালানি এবং খনিজসম্পদ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। বিদ্যুৎ এবং জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী এরই মধ্যে একটি পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন দিয়েছেন এবং সরকারের দুই বছর, পাঁচ বছর এবং ১০ বছর মেয়াদি অর্থাৎ স্বল্পমেয়াদি, মধ্যমেয়াদি, দীর্ঘমেয়াদি যে পরিকল্পনা রয়েছে বিদ্যুৎ এবং গ্যাসের ক্ষেত্রে সেটি বিস্তারে উপস্থাপন করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা যদি উদাহরণ হিসেবে দেখি, গ্যাসের ক্ষেত্রে আমরা এরই মধ্যে জানি যে, দুটো এফএসআরইউ থাকার কারণে আমাদের একটা ডিপেন্ডেন্স তৈরি হয়েছে এবং তার মাঝে একটা দীর্ঘদিন ধরে নষ্ট ছিল। বর্তমান সরকার শুধু সেটি রিপেয়ারই করছে না, সামনের দিনগুলোতে কীভাবে এফএসআরইউ সংখ্যা বাড়ানো যায়, প্রাথমিকভাবে তিনটি এবং তারপর আরও দুটি অর্থাৎ পাঁচটি করে দেওয়া যায়, সেজন্য একটা কার্যকর লক্ষ্যে কাজ শুরু হচ্ছে। ২০২৮ সাল শুরুর আগেই চেষ্টা করা হচ্ছে তৃতীয় এফএসআরইউটা সম্পৃক্ত করার জন্য, যার মাধ্যমে আমাদের গ্যাসের সমস্যার সমাধান হবে।’

মধ্যমেয়াদে প্রায় ১৫০টি গ্যাস কূপ খননের প্রক্রিয়া চলমান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘পাশাপাশি প্রতিমন্ত্রী উপস্থাপন করেছেন কীভাবে ১৫০টির মতো গ্যাসের কূপ খননের প্রক্রিয়া চলমান মধ্যমেয়াদে এবং তারপর এটি সম্পন্ন হওয়ার পর আরও ১৫০টি কূপ খননের জন্য উদ্যোগ নেওয়া হবে।’

মাহদী আমিন বলেন, ‘শুধু এফএসআরইউ স্থাপন করা হচ্ছে না, এর পাশাপাশি ল্যান্ডবেসড এলএনজি টার্মিনাল কীভাবে করা যায় এবং কীভাবে গ্যাস পাইপলাইন স্থাপন করা যায়, সেগুলো নিয়ে সরকারের দিক থেকে বহুমুখী উদ্যোগ রয়েছে।’

বিদ্যুৎ খাতের পরিকল্পনা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘বিদ্যুতের ক্ষেত্রে আমাদের তেল, গ্যাস এবং কয়লা থেকে একটা সমন্বিত উৎপাদনমুখী ব্যবস্থা যেখানে আমাদের বিদ্যুতের স্বনির্ভরতা থাকবে এবং এর পাশাপাশি বিশেষভাবে সোলার এনার্জিকে প্রাইওরিটাইজ করা হয়, সেটা উপস্থাপন করা হয়েছে এবং সামনের দিনগুলোতে আমরা চাই আমাদের যেন বিদ্যুৎখাত বৈচিত্র্যময় হয় এবং আমাদের এনার্জি রিসোর্সে আমরা একদিকে যেমন সেলফ সাফিসিয়েন্ট হবো, একই সঙ্গে সোলার এনার্জিকে সবচেয়ে বেশি প্রাইওরিটাইজ করবো।’

তিনি বলেন, ‘এখানে আমাদের ২১টি বিজনেস অ্যাসোসিয়েশন এবং এপেক্স বডির যারা শীর্ষ নেতৃত্বে ছিলেন এবং আমাদের গণমাধ্যমের কিছু পরিচিত মুখ, ওনারা ওনাদের বিভিন্ন অবস্থান তুলে ধরেছেন।’

ব্যবসায়ীদের ভূমিকার কথা তুলে ধরে মাহদী আমিন বলেন, ‘বিশেষভাবে আমাদের ব্যবসায়ী নেতারা যাদের ট্যাক্স, শ্রম এবং ঘামের ওপর ভিত্তি করে দেশে শিল্পায়ন হচ্ছে, অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রা হয়, সেটাকে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন কীভাবে আমরা চাই যে পাবলিক সেক্টর থেকে পলিসি সাপোর্ট দেওয়া হবে এবং প্রাইভেট সেক্টর থেকে সেগুলো এক্সিকিউট করবো এবং একসঙ্গে পাবলিক সেক্টর, প্রাইভেট সেক্টর, সরকার এবং আমাদের বেসরকারি খাত কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবো।’

অনেক পুঞ্জীভূত সমস্যা রয়েছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, ‘হয়তো একদিনে বা এক মাসে বা এক বছরে সেটার পূর্ণাঙ্গ সমাধান সম্ভব নয়, তবে সরকারের সর্বোচ্চ দায়বদ্ধতা রয়েছে, আন্তরিকতা রয়েছে এবং প্রধানমন্ত্রীর সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে। আজ বিদ্যুৎ এবং জ্বালানি খাতে সেটা উপস্থাপন করা হয়েছে।’

মাহদী আমিন বলেন, ‘ব্যবসায়ী নেতারা ওনাদের কিছু সমস্যার কথা বলেন এবং সরকার বিশ্বাস করে প্রতিটি সমস্যাই একেকটি নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে। সেটি ধারণ করেই ব্যবসায়ী নেতাদের এবং ওনাদের যে অ্যাসোসিয়েশন এবং এপেক্স বডি রয়েছে, ওনাদের সঙ্গে সরকারের সহযোগিতা আরও কীভাবে বাড়ানো যায় এবং এই যে মতবিনিময় সভা, এটি ধারাবাহিকভাবে সামনের দিনগুলোতে অনুষ্ঠিত হবে।’

পিপলসনিউজ/আরইউ

-- বিজ্ঞাপন --


CONTACT

ads@peoplenewsbd.com

গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট কেটে যাবে, আশ্বাস সরকারের গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট কেটে যাবে, আশ্বাস সরকারের নভেম্বরে ইউপি ভোটে শুরু স্থানীয় সরকার নির্বাচন নভেম্বরে ইউপি ভোটে শুরু স্থানীয় সরকার নির্বাচন গোলাম আযমকে জুতাপেটার সেই ছবি সাঁটিয়ে প্রতিবাদ গোলাম আযমকে জুতাপেটার সেই ছবি সাঁটিয়ে প্রতিবাদ হামের উপসর্গে এক দিনে আরও ৮ মৃত্যু হামের উপসর্গে এক দিনে আরও ৮ মৃত্যু ইউপি নির্বাচন : ভোট হবে ৭ ধাপে, প্রথম ধাপ ১২ নভেম্বর ইউপি নির্বাচন : ভোট হবে ৭ ধাপে, প্রথম ধাপ ১২ নভেম্বর