একদিনে তিন বিমান দুর্ঘটনা দেখল বিশ্ব
প্রকাশ : ২৯-১২-২০২৪ ২২:৫৩

ছবি : সংগৃহীত
পিপলসনিউজ ডেস্ক
রবিবার (২৯ ডিসেম্বর) দিনটি বিমান আরোহীদের জন্য আতঙ্কের দিন হয়ে থাকবে। এদিন তিনটি বিমান দুর্ঘটনা দেখেছে বিশ্ব। কানাডা ও নরওয়ের দুর্ঘটনায় তেমন ক্ষয়ক্ষতি না হলেও দক্ষিণ কোরিয়ার খবর নজর কেড়েছে বিশ্ববাসীর। দেশটির মুয়ান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের সময় রানওয়েতে যাত্রীবাহী একটি বিমান বিধ্বস্ত হয়। এ ঘটনায় নিহত মানুষের সংখ্যা বেড়ে ১৭৯-তে পৌঁছেছে।
নরওয়ের রাজধানী অসলোতে যাত্রীবাহী বিমান দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। আমস্টারডামগামী ওই বিমানটি ১৮০ জনেরও বেশি আরোহী নিয়ে জরুরি অবতরণ করে। এ ছাড়া কানাডাতেও একটি বিমান রানওয়ে থেকে ছিটকে আগুন ধরে যায়। এয়ার কানাডার এসি২২৫৯ বিমানটি সেন্ট জন’স থেকে হালিফাস্কে ওড়ে আসে। কিন্তু অবতরণের সময়ই ঘটে বিপত্তি। হ্যালিফ্যাক্স বিমানবন্দরে অবতরণের সময় রানওয়েতে পিছলে গিয়ে বিমানের একটি অংশে আগুন ধরে যায়। তবে কোনোরকমে বেঁচে যান যাত্রীরা।
দক্ষিণ কোরিয়ায় নিহত ১৭৯
দক্ষিণ কোরিয়ার স্থানীয় অগ্নিনির্বাপক সংস্থার বরাতে বিবিসি, রয়টার্স, দ্য মিরর ও আল জাজিরা জানায়, মুয়ান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৭৯-তে দাঁড়িয়েছে। অগ্নিনির্বাপক সংস্থা এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘এ পর্যন্ত দুজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।’
দুর্ঘটনার সময় জেজু এয়ারের বোয়িং ৭৩৭-৮০০ বিমানটিতে ১৭৫ জন যাত্রী ও ছয় জন ক্রু ছিলেন। ফ্লাইট ৭সি২২১৬-এর বিমানটি থাইল্যান্ড থেকে এসে মুয়ান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের সময় দুর্ঘটনার কবলে পড়ে।
প্রাথমিকভাবে দুজনকে জীবিত উদ্ধারের খবর দিয়েছে দেশটির সংবাদ সংস্থা ইয়নহাপও। উদ্ধার কার্যক্রম চলছিল। হতাহত মানুষের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে। উদ্ধারকৃত ওই দুই ব্যক্তির একজন যাত্রী এবং অন্য এক ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্ট বলে খবরে জানা গেছে।
বিমানবন্দরের এক কর্মকর্তা রয়টার্সকে বলেন, বিধ্বস্ত বিমানটির পেছনের অংশে উদ্ধারকাজ করে যায় কর্তৃপক্ষ। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতে বিধ্বস্ত বিমানটির বিভিন্ন অংশে আগুন জ্বলতে ও ধোঁয়া বের হতে দেখা গেছে। দক্ষিণ কোরিয়ার ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বিমান দুর্ঘটনার একটি এটি।
দ্য মিরর বলছে, যাত্রীবাহী বিমান রানওয়ে থেকে ছিটকে গিয়ে পাশের দেওয়ালে বিধ্বস্ত হওয়ার পর ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার করা দুজন ছাড়া আরোহীদের সকলেই মারা গেছেন।
দ্য মিরর আরো বলছে, ধ্বংসস্তূপ থেকে দুজনকে জীবিত টেনে বের করা সম্ভব হয়েছে। তবে দমকল কর্মীরা আরো লোককে বাঁচাতে মরিয়া হয়ে লড়াই করছিলেন। বিধ্বস্ত হওয়ার পর বিমানটি কার্যত বিস্ফোরিত হয়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয় এবং আগুন ধরে যায়। দক্ষিণ কোরিয়ার ন্যাশনাল ফায়ার এজেন্সি জানিয়েছে, পাখির আঘাতের কারণে বিমানটির ল্যান্ডিং গিয়ারে সমস্যা হয়েছিল বলে মনে করা হচ্ছে এবং ফুটেজে দেখা গেছে, অবতরণের সময় মাটিতে চাকা না থাকায় বিমানটি রানওয়েতে পিছলে যায়।
ধারণা করা হচ্ছে, নেমে আসার সময় পাখির সঙ্গে সংঘর্ষে উড়োজাহাজের ল্যান্ডিং গিয়ারে জটিলতা তৈরি হয়। মুয়ান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর রাজধানী সিউল থেকে ২৮৮ কিলোমিটার দূরে। দুর্ঘটনার পর সেখানে সব ধরনের ফ্লাইট ওঠানামা বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ।
দক্ষিণ কোরিয়ার এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে বিবিসি লিখেছে, বিমানটি বিমানবন্দরে অবতরণের প্রস্তুতি নেওয়ার সময় এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল থেকে পাখির সঙ্গে সংঘর্ষের সতর্কবার্তা দেওয়া হয়। ফলে পাইলট না নেমে আকাশে ভেসে থাকতে বাধ্য হন।
দুই মিনিট পর পাইলট ‘মে ডে’ ঘোষণা করলে (বিপদে পড়ার সংকেত) এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল অবতরণের অনুমতি দেয়। বিমানটি উল্টো দিক থেকে রানওয়েতে নেমে এলেও ল্যান্ডিং গিয়ার কাজ না করায় চাকা ছাড়াই সেটি নেমে আসে।
এদিকে দুর্ঘটনার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে টুইন-ইঞ্জিন এই প্লেনটি রানওয়ে থেকে ছিটকে গিয়ে একটি দেওয়ালে বিধ্বস্ত হতে দেখা যাচ্ছে। এরপর সঙ্গে সঙ্গেই বিমানটিতে আগুন ধরে যায়। এরপর কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই দুর্ঘটনাস্থল থেকে আকাশে বিশাল কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলী উঠেতে দেখা যায়। দুর্ঘটনার পর ছড়িয়ে পড়া এসব ছবি ও ভিডিওতে দেখা গেছে, প্লেনের কিছু অংশে আগুন লেগেছে।
ভিডিওতে দেখা গেছে, বিমানটি বিধ্বস্ত হওয়ার কয়েক সেকেন্ড আগে ‘বেলি ল্যান্ডিং’ (বিমানের ল্যান্ডিং গিয়ার সম্পূর্ণভাবে প্রসারিত না করে) অবতরণ করার চেষ্টা করে। মুয়ানের ফায়ার সার্ভিস প্রধান লি জুং-হিউন বলেন, দুর্ঘটনার পর কেবল লেজের কিছুটা অংশ আস্ত আছে, বাকি অংশ আর চেনার উপায় নেই।
জেজু এয়ার এক বিবৃতিতে বলেছে, মুয়ান বিমানবন্দরের দুর্ঘটনায় যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন আমরা জেজু এয়ারের পক্ষ থেকে তাদের প্রত্যেকের কাছে মাথা নত করে ক্ষমা প্রার্থনা করছি। এই ঘটনায় সাড়া দিয়ে যা যা করতে পারবো তার সবাই করবো আমরা। এই বিপর্যয়ের জন্য আমরা দুঃখিত। বিবিসি লিখেছে, ২০০৫ সালে প্রতিষ্ঠিত জেজু এয়ার দক্ষিণ কোরিয়ার অন্যতম শীর্ষ বাজেট এয়ারলাইন। তাদের কোনো বিমান এই প্রথম প্রাণঘাতী দুর্ঘটনায় পড়ল।
এমন এক সময়ে এই দুর্ঘটনা ঘটল, যখন দক্ষিণ কোরিয়া দক্ষিণ কোরিয়া ব্যাপক রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। নতুন ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট চোই সুং-মককে দায়িত্ব নেওয়ার দুই দিনের মাথায় এই সংকট মোকাবিলা করতে হচ্ছে। তার কার্যালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করেছেন এবং জরুরি ত্রাণ ও উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছেন।
একদিনে তিন বিমান দুর্ঘটনা দেখল বিশ্ব
রবিবার দক্ষিণ কোরিয়া ছাড়াও নরওয়ের রাজধানী অসলোতেও একটি যাত্রীবাহী বিমান দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। আমস্টারডামগামী ওই বিমানটি ১৮০ জনেরও বেশি আরোহী নিয়ে জরুরি অবতরণ করেছে।
আনাদুলো এজেন্সির খবরে বলা হয়, অসলো থেকে আমস্টারডামগামী একটি যাত্রীবাহী বিমান হাইড্রোলিক ত্রুটির কারণে টর্প বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করে। অবতরণের সময় বিমানটি রানওয়ে থেকে ছিটকে পড়ে।
বিমানের রেডিও ট্রান্সমিশনে বলা হয়, পাইলটরা নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। বিমানের বাম দিকের ইঞ্জিন থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখে পাইলটরা অবতরণের জন্য কন্ট্রোল রুমকে দমকল বাহিনীকে প্রস্তুত থাকার অনুরোধ জানান। সৌভাগ্যক্রমে, বিমানে থাকা ১৮২ জন আরোহীর (১৭৬ জন যাত্রী এবং ছয় ক্রু সদস্য) কেউই আহত হননি।
এ ছাড়া কানাডাতেও একটি বিমান রানওয়ে থেকে ছিটকে আগুন ধরে যায়। এয়ার কানাডার এসি২২৫৯ বিমানটি সেন্ট জন’স থেকে হালিফাস্কে ওড়ে আসে। কিন্তু অবতরণের সময়ই ঘটে বিপত্তি। হ্যালিফ্যাক্স বিমানবন্দরে অবতরণের সময় রানওয়েতে পিছলে গিয়ে বিমানের একটি অংশে আগুন ধরে যায়। তবে কোনোরকমে বেঁচে যান যাত্রীরা।
হালিফাস্ক বিমানবন্দরে দুর্ঘটনার বেশ কয়েকটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল। ভাইরাল এক ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, হ্যালিফ্যাক্স রানওয়ে দিয়ে ছুটে চলেছে একটি বিমান। সেই বিমানের এক অংশে আগুন জ্বলছে।
কী ঘটেছিল দক্ষিণ কোরিয়ার বিমানটিতে?
বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণের সময় বিধ্বস্ত হওয়া জেজু এয়ারের উড়োজাহাজটিতে কী ঘটেছিল, তার একটি ব্যাখ্যা দিয়েছেন দক্ষিণ কোরিয়ার পরিবহন বিভাগের এক কর্মকর্তা।
ওই কর্মকর্তা বিবিসিকে বলেছেন, উড়োজাহাজটির পাইলট প্রথমবার যখন অবতরণ করার অনুমতি চান, তখন নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে বার্তা আসে, পাখির সঙ্গে ধাক্কা লাগার ঝুঁকি আছে। ফলে পাইলট উড়োজাহাজ নিয়ে আকাশে থাকতে বাধ্য হন। এর মিনিট দুয়েক পরে চালক মে ডে কল করে (বিপদে পড়ার সংকেত) জরুরি অবতরণের অনুমতি চান। তখন নিয়ন্ত্রণ কক্ষ তাকে বিপরীত দিক থেকে অবতরণের অনুমতি দেয়। এরপর পাইলট নিয়ন্ত্রণ কক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী অবতরণ করার সময় দুর্ঘটনায় পড়ে।
ভিডিওতে দেখা যায়, চাকা কিংবা কোনো ধরনের ‘ল্যান্ডিং গিয়ার’ বিমানটি পেটের দ্বারা রানওয়েতে নেমে আসে। এরপর সেটি কিছুদূর ছেঁচড়ে গিয়ে পাশের একটি দেয়ালে বিধ্বস্ত হয়। বিস্ফোরণের পর বিমানটিতে আগুন ধরে যায় এবং এর ধ্বংসাবশেষ আশপাশে ছড়িয়ে পড়ে।
দক্ষিণ কোরিয়ার পরিবহন বিভাগের বরাতে বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, জেজু এয়ারের ওই ফ্লাইটে যিনি মূল পাইলটের ভূমিকায় ছিলেন, তিনি ২০১৯ সাল থেকে ককপিটে বসেন। নয় হাজার ৮০০ ঘণ্টা ফ্লাইট পরিচালনার অভিজ্ঞতা রয়েছে তার।
পাখির আঘাত বিষয়ে সতর্কতা জারি করেছিল নিয়ন্ত্রণ টাওয়ার
দক্ষিণ কোরিয়ার এক কর্মকর্তা বলেছেন, বিমান বিধ্বস্তের আগে পাখির আঘাত বিষয়ে সতর্কতা জারি করেছিল নিয়ন্ত্রণ টাওয়ার। দেশটির পরিবহন মন্ত্রণালয়ের এই কর্মকর্তা এ তথ্য জানিয়ে আরো বলেন, সতর্কতা জারির কিছুক্ষণ পরই বিমানটির পাইলটেরা ‘মে ডে’, অর্থাৎ বিপন্ন অবস্থার কথা ঘোষণা করেছিলেন।
একই কর্মকর্তা বলেন, ‘মে ডে’ ঘোষণার প্রায় এক মিনিট পর বিমানটি বিমানবন্দরের রানওয়েতে অবতরণের দুর্ভাগ্যজনক চেষ্টা করে। এই কর্মকর্তা স্পষ্ট করে বলেননি যে, ফ্লাইটের তরফ থেকে পাখির সঙ্গে ধাক্কা লাগার কথা জানানো হয়েছিল কিনা। তবে তিনি বলেন, বিধ্বস্ত বিমানটি থেকে ব্ল্যাক বক্স (ফ্লাইট ডেটা রেকর্ডার) সংগ্রহ করা হয়েছে।
দক্ষিণ কোরিয়ার ভূমি মন্ত্রণালয় বলেছে, মুয়ান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের রানওয়ে প্রায় দুই হাজার ৮০০ মিটার দীর্ঘ। দুর্ঘটনার কবলে পড়া বিমানের আকারের মতো একই ধরনের বিমান সেখানে অবতরণ করেছে। সেসব বিমানে কোনো ধরনের সমস্যা হয়নি।
মুয়ান ফায়ার স্টেশনের প্রধান কর্মকর্তা লি জিয়ং-হিউন এক ব্রিফিংয়ে বলেছেন, বৈরী আবহাওয়ার পাশাপাশি একটি পাখির আঘাতের কারণে বিমানটি দুর্ঘটনার কবলে পড়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, তবে যৌথ তদন্ত শেষে বিমান বিধ্বস্তের সঠিক কারণ ঘোষণা করা হবে।
বিধ্বস্তের আগ মুহূর্তে যে বার্তা পাঠিয়েছিলেন এক যাত্রী
বিমানের ভেতর থাকা এক যাত্রী দুর্ঘটনার আগমুহূর্তে তার আত্মীয়কে বার্তা পাঠান। যেটিতে তিনি লেখেন, ডানায় একটি পাখি আটকে আছে। আমরা অবতরণ করতে পারছি না। এই মুহূর্তে আমি কী (মৃত্যুর আগে) শেষ বার্তা দিয়ে যাব?
সকাল ৯টার দিকে এমন বার্তা দেখতে পেয়ে ওই যাত্রীর আত্মীয় তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেন। কিন্তু তার কাছ থেকে আর কোনো সাড়া পাননি। তিনি বেঁচে আছেন নাকি মারা গেছেন, সেটিও এই আত্মীয় আর জানেন না।
মাথা নুইয়ে ক্ষমা চাইলেন জেজু এয়ারের সিইও
উড়োজাহাজ বিধ্বস্তে দক্ষিণ কোরিয়ার বেসরকারি বিমান সংস্থা জেজু এয়ারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ও অন্যরা ক্ষমা চেয়েছেন। রবিবার সিউলে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রতিষ্ঠানটির শীর্ষ কর্মকর্তাদের পাশে নিয়ে মাথা অবনত করে ক্ষমা প্রার্থনা করতে দেখা যায় সিইও কিম ই-বে।
এদিকে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে জেজু এয়ার বলেছে, এই দুর্ঘটনায় হতাহতদের জন্য জেজু এয়ারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সহায়তা করা হবে। উদ্বেগজনক এই দুর্ঘটনার জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখও প্রকাশ করেছে জেজু এয়ার কর্তৃপক্ষ।
আর সিউলে এক সংক্ষিপ্ত সংবাদ সম্মেলনে জেজু এয়ারের সিইও কিম ই-বে বলেছেন, দুর্ঘটনার কারণ এখনো জানা যায়নি। উড়োজাহাজটির দুর্ঘটনার কোনো রেকর্ড নেই। এ ছাড়া বিমানে যান্ত্রিক ত্রুটির প্রাথমিক কোনো লক্ষণও ছিল না।
পিপলসনিউজ/আরইউ
-- বিজ্ঞাপন --
CONTACT
ads@peoplenewsbd.com