weather ৩৪.৫২ o সে. আদ্রতা ৫৪% , বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খাগড়াছড়িতে জেএসএস-ইউপিডিএফ গোলাগুলি, নিহত ৪

প্রকাশ :

খাগড়াছড়িতে জেএসএস-ইউপিডিএফ গোলাগুলি, নিহত ৪

ছবি : সংগৃহীত

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি
খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় সন্তু লারমার জেএসএস ও প্রসিতপন্থী ইউপিডিএফের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত চারজন নিহতের খবর জানিয়েছে পুলিশ।

শুক্রবার (২৬ জুলাই) রাত সাড়ে ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট-ইউপিডিএফ ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি-জেএসএস-এর সদস্যদের মধ্যে এ গোলাগুলি হয় বলে জানিয়েছেন দীঘিনালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ জাকারিয়া।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ইউপিডিএফ দলের সশস্ত্র গ্রুপ কমান্ডার বিপ্লব চাকমার নেতৃত্বে ৪০-৪৫ জনের একটি দল এবং জেএসএস দলের সশস্ত্র কমান্ডার জয়দেব চাকমার নেতৃত্বে ৩৫-৪০ জনের আরেকটি দল জোড়া সিন্ধু কারবারিপাড়া এলাকায় মুখোমুখি হয়। তখনই দুই পক্ষের মধ্যে ব্যাপক গুলিবিনিময় হয়।

এতে ইউপিডিএফ (প্রসিত)-এর সামরিক শাখা ‘গণমুক্তি ফৌজ’ বা ‘পিপলস্ লিবারেশন আর্মি’র চার সদস্য নিহত হন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। নিহতদের নাম-ঠিকানা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

দীঘিনালা থানার ওসি মো. জাকারিয়া গণমাধ্যমকে বলেন, জোড়া সিন্ধু কারবারিপাড়া এলাকায় গোলাগুলির খবর পেয়েছি। এতে ইউপিডিএফ (প্রসিত)-এর সামরিক শাখা ‘গণমুক্তি ফৌজ’ বা ‘পিপলস্ লিবারেশন আর্মি’র চার সদস্য নিহত হন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। আহত হয়েছেন অনেকে। ঘটনাস্থলে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে।

তবে ইউপিডিএফের জেলা সংগঠক অংগ্য মারমা বলেন, এই ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি। শনিবার (২৬ জুলাই) সংবাদ মাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, এ গোলাগুলির ঘটনা সংঘটিত হওয়ার কোনো তথ্য ইউপিডিএফের জানা নেই এবং ইউপিডিএফ একটি গণতান্ত্রিক দল হিসেবে ‘গণমুক্তি ফৌজ’ বা ‘পিপলস্ লিবারেশন আর্মি’ নামে তার কোনো সামরিক শাখা থাকার প্রশ্ন একেবারে অবান্তর ও কাল্পনিক।

ভাইবোনছড়ায় ত্রিপুরা কিশোরীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের বিরুদ্ধে চলমান আন্দোলন থেকে জনগণের দৃষ্টি ভিন্ন দিকে প্রবাহিত করতে একটি বিশেষ স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী দুরভিসন্ধিমূলক মিথ্যা প্রচারে নেমেছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

১৯৯৭ সালে সরকার এবং জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা (সন্তু লারমা) নেতৃত্বাধীন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (জেএসএস) মধ্যে পার্বত্য শান্তি চুক্তির পর তার বিরোধিতা করে প্রসিত বিকাশ খিসার নেতৃত্বে গড়ে ওঠে ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ)।

সেই থেকে দুই দলের বিরোধে ২০১৬ পর্যন্ত সশস্ত্র সংঘাতে মারা গেছে প্রায় এক হাজার নেতা-কর্মী। ২০১৬ সালে দুই দলের মধ্যে অলিখিত ও অপ্রকাশ্য এক সমঝোতায় সশস্ত্র সংঘাত থামলে কিছুটা স্বস্তি আসে পাহাড়িদের মনে।

কিন্তু এরই মধ্যে জেএসএস থেকে বেরিয়ে জেএসএস (এমএন লারমা) এবং ইউপিডিএফ ভেঙে ইউপিডিএফ (গণতান্ত্রিক) দল গড়ে ওঠে, যা সংঘাতে আনে নতুন মাত্রা।

পিপলসনিউজ/আরইউ

-- বিজ্ঞাপন --


CONTACT

ads@peoplenewsbd.com

এডেন বিমানবন্দরে হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা এডেন বিমানবন্দরে হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা ইরানের হামলায় লস অ্যাঞ্জেলেস বা সান দিয়েগো ধ্বংস হতে পারে : ট্রাম্প ইরানের হামলায় লস অ্যাঞ্জেলেস বা সান দিয়েগো ধ্বংস হতে পারে : ট্রাম্প দুই বছর পর কবর থেকে সেলিম খান ও ছেলের মরদেহ উত্তোলন দুই বছর পর কবর থেকে সেলিম খান ও ছেলের মরদেহ উত্তোলন ছয় দিন পর জ্ঞান ফিরল ক্রিস্টা পাইকের ছয় দিন পর জ্ঞান ফিরল ক্রিস্টা পাইকের বিদায়ী ম্যাচে লিওনেল মেসির আবেগঘন বক্তৃতা বিদায়ী ম্যাচে লিওনেল মেসির আবেগঘন বক্তৃতা