পশ্চিম এশিয়ায় উত্তেজনা : জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে ১০০ ডলার ছুঁইছুঁই
প্রকাশ :
ছবি : সংগৃহীত
পিপলসনিউজ ডেস্ক
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে হামলা-পাল্টা হামলা শুরু হওয়ায় এবং পশ্চিম এশিয়ায় উত্তেজনায় জ্বালানি সরবরাহ আবারো বিঘ্নিত হওয়ার উদ্বেগ তীব্র হয়েছে। এতে তেলের দাম বেড়ে প্রতি ব্যারেল মূল্য প্রায় ১০০ ডলার হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) প্রারম্ভিক লেনদেন শুরু হতেই ব্যারেল প্রতি মূল্য এক ডলারের বেশি বেড়ে যায়। ০২১২ জিএমটিতে ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচার্স এক দশমিক চার শতাংশ বেড়ে ব্যারেল প্রতি মূল্য দাঁড়ায় ৯৯ দশমিক ৩৩ ডলারে। একই সময় ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের ক্রুডের মূল্য এক দশমিক চার শতাংশ বেড়ে ৯৪ দশমিক ৩৪ ডলারে দাঁড়ায়।
রয়টার্স জানিয়েছে, ছয় মাস ধরে চলা ইরান যুদ্ধের একটা স্থায়ী সমাধান হবে, এমন আশা ম্লান হয়ে যাওয়ার পর আগস্টের প্রথমদিকের তুলনায় ব্রেন্ট ক্রুড এক লাফে এক তৃতীয়াংশ বেড়ে যায় আর ব্যারেল প্রতি মূল্য ১০০ ডলারের দিকে ছুটতে শুরু করে।
মঙ্গলবার ইয়েমেনের ইরান সমর্থিত হুতিরা সৌদি আরবের বেশ কয়েকটি শহরে আঘাত হানার পর পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ তীব্র হয়ে ওঠে। এই হামলার মাধ্যমে সংঘাতটিতে যুক্তরাষ্ট্রের এক মিত্রকে গভীরভাবে জড়িয়ে ফেলা হয়।
হরমুজ প্রণালির আশপাশে মার্কিন বাহিনী বেশ কয়েকটি ইরানি তেল ট্যাংকারে আঘাত হানে আর জবাবে জর্ডানে যুক্তরাষ্ট্রের এক ঘাঁটিকে লক্ষ্যস্থল করে ইরান।
বিশ্লেষকরা বলছেন, পরিস্থিতি যেদিকে গড়াচ্ছে তাতে ঝুঁকির বিপরীতে বাড়তি খরচের বিষয়টি প্রতিফলিত হতে থাকবে।
পশ্চিম এশিয়ার আঞ্চলিক জ্বালানি অবকাঠামোতে ও জাহাজ চলাচলের প্রধান জলপথগুলোতে হামলার কারণে তেলের সরবরাহ ইতোমধ্যেই ক্ষতিগ্রস্ত অবস্থায় আছে, এখন নতুন হামলাগুলোর কারণে পরিস্থিতি আরও জটিল হচ্ছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, সৌদি আরব কিছু তেল রপ্তানি হরমুজ প্রণালি থেকে অন্য পথে সরিয়ে নিলেও দেশটি এখন নিজেই আক্রান্ত হচ্ছে, এতে বিশ্ব বাজারে অপরিশোধিত তেলের প্রবাহ বজার রাখার প্রচেষ্টা জটিলতার মধ্যে পড়তে পারে।
পিপলসনিউজ/আরইউ