weather ২৬.৯৯ o সে. আদ্রতা ৭৪% , শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫, ২০ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

গাজীপুর থেকে সরকারকে আলটিমেটাম সারজিসের

প্রকাশ : ০৯-০২-২০২৫ ০০:০৩

ছবি : সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক
গাজীপুরে সাবেক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হকের বাড়িতে ঘটে যাওয়া ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলাকারীদের গ্রেপ্তারে আলটিমেটাম দিয়েছেন সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক ও জাতীয় নাগরিক কমিটির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। শনিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে রাজবাড়ি সড়কে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বিক্ষোভ কর্মসূচি থেকে তিনি আলটিমেটাম দেন। 

এদিকে ওই কর্মসূচিতে গিয়েই সংগঠনটির নেতা-কর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) মো. আরিফুল ইসলামকে প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছেন গাজীপুর মহানগর পুলিশের কমিশনার নাজমুল করিম খান। তিনি এ সময় ক্ষমা প্রার্থনাও করেন। তিনি জানান, হামলার ঘটনায় এখন ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।  

অন্যদিকে কর্মসূচি শেষে সংগঠনটির এক কর্মীকে মোটরসাইকেলে এসে গুলি করে পালিয়ে যান অজ্ঞাতরা। এর মাঝে গত শুক্রবারের রাতের ঘটনায় আহত ১৫ জনের মাঝে সাতজনকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাকে আইসিইউতে নেওয়া হয়েছে। 

এদিকে গাজীপুরের ঘটনা ও সাম্প্রতিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনিতির ফলে শনিবার থেকে সারা দেশে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করছে যৌথ বাহিনী। এ অভিযানের নাম দেওয়া হয়েছে ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ বিভাগ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ অভিযানের কথা জানানো হয়েছে।  

আলটিমেটাম সারজিসের

গাজীপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে কর্মসূচিতে সারজিস আলম বলেন, এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকার, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পুলিশ এবং ইন্টেলিজেন্স যদি শনিবার রাতের মধ্যে হামলার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তার না করতে পারে, তাহলে আমাদের তাদের বিপক্ষে দাঁড়িয়ে যেতে হবে। শনিবার দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে রাজবাড়ি সড়কে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা-কর্মীদের ওই বিক্ষোভে যোগ দেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আবদুল্লাহও। এই সময়েই হুঁশিয়ারি দেন সারজিস।

এসময় তিনি উপস্থিতদের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে বলেন, এই অভ্যুত্থানে খুনি শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন। জুলাই-আগস্টে বাংলাদেশে যে দুই-তিনটি জেলা রণক্ষেত্র হয়েছিল, যে দুই-তিনটি জেলার ছাত্র-জনতা বুক পেতে দিয়ে, রক্ত দিয়ে অভ্যুত্থানের নেতৃত্ব দিয়েছে; সেই জেলাগুলোর মধ্যে একটি গাজীপুর। এই অভ্যুত্থানের যারা সহযোদ্ধা, তারা তখনো বুক পেতে দিয়েছিলেন, এখনও জীবন দিতে প্রস্তুত। কিন্তু ওই খুনি হাসিনা, খুনি জাহাঙ্গীরের (গাজীপুর সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র) দোসররা যদি গাজীপুরে আবার উৎপাত করতে চায়, তাহলে এই ছাত্র-জনতা তাদের আর ছাড় দেবে না। শুক্রবার আমাদের অনেক সহযোদ্ধাকে তারা রক্তাক্ত করেছে, জীবননাশের হুমকি দিয়েছে।

সরকারকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, যে ছাত্র-জনতা রক্ত আর জীবন দিয়ে আপনাদের সরকারে বসিয়েছে, তাদের জীবনের নিরাপত্তা কে দেবে?

এসময় শুক্রবারের ঘটনায় পুলিশের সমালোচনা করে সারজিস আলম বলেন, ‘যে পুলিশ প্রশাসন নতুন করে ওই চেয়ারগুলোতে বসেছে, তারা এখনো কেন বাংলা সিনেমার মতো ঘটনা ঘটার পর রাজপথে আসে? আমরা কেন এখনো দুই ঘণ্টা ধরে পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করে, তাদের মাঠে আনতে পারি না? এখনো যদি সরকার কিংবা পুলিশ মনে করে যে, তারা ৯টা-৫টা অফিস করবে, তাহলে তাদের চাকরি ছেড়ে দেওয়ার জন্য বলছি।’

সারজিস আলম নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করে বলেন, ‘আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই, রক্ত আর জীবনের বিনিময়ে দিয়ে এই নতুন বাংলাদেশ মুক্ত করেছে। তাদের জীবনের নিরাপত্তা দিতে হবে। খুনি হাসিনার আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা এখনো গাজীপুরে ঘুরে বেরাচ্ছে। এখনো সোশ্যাল মিডিয়ায় আমার যোদ্ধাদের হুমকি দিচ্ছে; তাদের আজ (গতকাল শনিবার) রাতের মধ্যে গ্রেপ্তার করতে হবে।’

তিনি বলেন, আমরা স্পষ্ট করে বলি, বিগত দিন ধরে আমরা গ্রেপ্তার গ্রেপ্তার খেলা দেখতে পাচ্ছি। একদল গ্রেপ্তার করে, দুই দিন পর আদালতে বিচারক নামের কিছু অকালকুষ্মাণ্ড, যারা ওই খুনি হাসিনার দোসর, তারা আবার তাদের জামিন দিয়ে দেয়।

সারজিস বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে, এখন পর্যন্ত ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা গ্রেপ্তার এবং সার্বিক ব্যবস্থাসংক্রান্ত সার্বিক বিষয়ে শনিবারই একটি প্রেস ব্রিফিং করবে। আমরা সেটির অপেক্ষায় আছি। আমরা প্রতিশ্রুতিতে বিশ্বাসী না, আমরা কাজ দেখতে চাই। আমরা এখানে অবস্থান করব, প্রশাসনের কাজ দেখব, যতক্ষণ পর্যন্ত তারা আমাদের এই দাবিগুলোর বাস্তবায়ন হচ্ছে, ওই সন্ত্রাসীরা কারাগারে যাচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত আমাদের এই অবস্থান হবে রাজপথ।

শুক্রবারের হামলার ঘটনার প্রতিবাদে শনিবার সকালে গাজীপুর শহরের রাজবাড়ীর মাঠ ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে বিভিন্ন সংগঠনের নেতা-কর্মীসহ শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল শুরু করেন। বেলা দুইটার দিকে শিক্ষার্থীরা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনের সড়কে বসে বিক্ষোভ শুরু করেন। এতে ওই সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

ওসি প্রত্যাহার, ক্ষমা চাইলেন মহানগর পুলিশ কমিশনার

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফুল ইসলামকে প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছেন গাজীপুর মহানগর পুলিশের কমিশনার নাজমুল করিম খান।

তিনি বলেন, ‘শুক্রবার রাতে যে ঘটনাটি ঘটেছে, তাতে পুলিশ বাহিনীর পক্ষ থেকে আমি ক্ষমা চাচ্ছি। আমি ব্যর্থতা স্বীকার করে নিচ্ছি। হামলাকারী কাউকে ছাড়া হবে না, প্রতিটি হামলার জবাব দেওয়া হবে। যেসব পুলিশ রেসপন্স করতে দেরি করেছে, তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব।’

শনিবার বিক্ষোভ কর্মসূচিতে গিয়ে পুলিশ কমিশনার নাজমুল করিম খান এসব বলেন। এর আগে দুপুরে নেতা-কর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে রাজবাড়ী সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন সংগঠনটির নেতা-কর্মীরা।

নাজমুল করিম খান বলেন, ‘আমি শুনেছি, আমার ওসি দুই ঘণ্টা পর আপনাদের ডাকে সাড়া দিয়েছেন। আমি এখানে দাঁড়িয়ে বললাম, তাকে সাসপেন্ড (বরখাস্ত) করব। আমি বলতে চাই, যারা এই ফ্যাসিবাদের সঙ্গে আঁতাত করেছে, তাদের পুলিশে চাকরি করতে দেওয়া যাবে না।’

পুলিশ কমিশনার আরো বলেন, গত ১৭ বছর যারা অত্যাচার করেছে, দেশের ওপর জুলুম করেছে, তারা মাথাচাড়া দিচ্ছে। কিন্তু তাদের কোনো মাথাচাড়া বরদাশত করা হবে না। ইতোমধ্যে ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শনিবার রাতে চিরুনি অভিযান চালানো হবে। ঘটনায় জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে। ইতোমধ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আওয়ামী ফ্যাসিবাদ দমন করার জন্য ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’ পরিচালনা করা হবে।

পুলিশ কমিশনারের বক্তব্যের সময় সেখানে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আবদুল্লাহ, জাতীয় নাগরিক কমিটির মুখ্য সংগঠক ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক সারজিস আলমসহ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

গাজীপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মীকে গুলি

গাজীপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের এক কর্মীকে গুলি করেছে দুর্বৃত্তরা। গুলিবিদ্ধ যুবকের নাম মোবাশশির হোসাইন। তিনি গাজীপুর জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের একজন কর্মী। গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে।

ঘটনার পরপরই মোবাশশির হোসাইন গণমাধ্যমকর্মীদের জানান, গাজীপুরে শনিবার তাদের প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ কর্মসূচি সমাপ্তির পর তারা আহত ছাত্রদের দেখতে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এ সময় একটি মোটরসাইকেল থেকে তাকে লক্ষ্য করে গুলি করা হয়। তার ডান হাতে গুলি লেগেছে।

তিনি জানিয়েছেন, ব্যক্তিগতভাবে তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। গাজীপুরের পুলিশ সুপারকে এ বিষয়ে অবহিত করা হয়েছে। 

আহত ৭ জন ঢাকা মেডিক্যালে, একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক

গাজীপুরে মারধরে আহত সাতজনকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক মো. আসাদুজ্জামান শনিবার দুপুরে জানিয়েছেন, গাজীপুর থেকে মারধরে আহত হয়ে গত শুক্রবার দিবাগত রাতে মোট ১১ জন এসেছিলেন। তাদের মধ্যে চারজন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। বাকি সাতজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। 

আহত সাতজনের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানান তিনি। তাকে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রাখা হয়েছে। তার নাম কাশেম (১৭)। বাকি ছয়জনকে দু-এক দিনের মধ্যে ছাড়পত্র দেওয়া হবে।

ঢাকা মেডিকেলে বাকি যে ছয়জন চিকিৎসা নিচ্ছেন তারা হলেন, ইয়াকুব (২৪), শুভ শাহরিয়ার (১৬), গৌরভ ঘোষ (২২), আবদুর রহমান ইমন (২০), সাব্বির খান হিমেল (২২) ও কাজী ওমর হামজা (২১)।

এর আগে সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক মো. ফারুক আহত পাঁচজনকে হাসপাতালে ভর্তির কথা জানিয়েছিলেন। তখন হাসপাতাল সূত্র জানায়, তিনজনের মাথায়, একজনের ডান হাতে ও আরেকজনের শরীরে গুরুতর আঘাত রয়েছে।

হাসপাতালে হামলায় আহত ইয়াকুবের ভাই মো. নাছির বলেন, ফাঁদে ফেলে তার ভাইসহ অন্যদের গাজীপুরে আ ক ম মোজাম্মেল হকের বাসার একটি কক্ষে গত শুক্রবার রাত সাড়ে আটটার দিকে আটকে রেখে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানো হয়। তাদের এলোপাতাড়ি আঘাত করা হয়। তার ভাইয়ের মাথায় আঘাত রয়েছে। তার ভাইসহ কয়েকজন ঢাকা মেডিক্যালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

এলাকাবাসী ও পুলিশ জানিয়েছে, একদল বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতা গাজীপুর মহানগরের ধীরাশ্রমের দক্ষিণখানে মোজাম্মেল হকের বাড়িতে হামলা চালান। তারা বাড়ির ভেতরে ঢুকে ভাঙচুর করেন। এ সময় মসজিদের মাইকে মন্ত্রীর বাড়িতে ডাকাত পড়েছে বলে ঘোষণা দিয়ে লোকজনকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়। মাইকিং শুনে আশপাশের লোকজন বাড়িটি ঘিরে ফেলেন। এ সময় কয়েকজনকে মারধর করা হয়। এতে অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন।

এ হামলার প্রতিবাদে শুক্রবার দিবাগত রাত পৌনে দুইটার দিকে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সামনে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা-কর্মীরা। এ সময় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের গাজীপুরের নেতা মো. আবদুল্লাহ বলেন, ‘শুক্রবার রাতে আমাদের কাছে খবর আসে, ধীরাশ্রম এলাকায় সাবেক মন্ত্রীর বাড়িতে হামলা ও লুটপাট হচ্ছে। এটি শোনার পর প্রতিহত করতে আমাদের শিক্ষার্থীরা রওনা হন। দ্রুত ১৫-১৬ জন ঘটনাস্থলে চলে যান। সেখানে গিয়ে দেখা যায়, লুটপাট হচ্ছে। এতে বাধা দিলে পেছন থেকে হুট করে অনেক মানুষ জড়ো হয়ে যায়। তাদের হাতে রামদাসহ বিভিন্ন অস্ত্র ছিল। অন্য শিক্ষার্থীরা আসার আগেই ওই ১৫ জনকে ছাদে নিয়ে বেধড়ক পিটিয়ে ও কুপিয়ে জখম করা হয়। পরে অন্যান্য শিক্ষার্থী ঘটনাস্থলে গেলে তাদেরও পেটানো হয়।’

এদিকে শনিবার বেলা সাড়ে ১১টায় শহরের ভাওয়াল রাজবাড়ী মাঠে জাতীয় নাগরিক কমিটির জেলা ও মহানগর শাখার আয়োজনে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে বক্তারা শুক্রবার রাতে হামলার ঘটনায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে সমালোচনা করেন।

সমাবেশ থেকে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীকে ক্ষমা চেয়ে পদত্যাগের পাশাপাশি গাজীপুর মহানগর পুলিশ কমিশনার ও জেলা প্রশাসকের অপসারণের দাবি করা হয়।

পিপলসনিউজ/আরইউ

-- বিজ্ঞাপন --


CONTACT

ads@peoplenewsbd.com

সৌদি আরবে চাঁদ দেখা গেছে, ঈদ রবিবার সৌদি আরবে চাঁদ দেখা গেছে, ঈদ রবিবার বৈদেশিক মুদ্রার মোট রিজার্ভ ২৫ দশমিক ৪৪ বিলিয়ন ডলার বৈদেশিক মুদ্রার মোট রিজার্ভ ২৫ দশমিক ৪৪ বিলিয়ন ডলার ছত্তিশগড়ে অভিযানে ১৬ মাওবাদী গেরিলা নিহত ছত্তিশগড়ে অভিযানে ১৬ মাওবাদী গেরিলা নিহত নাটোরে পুরাতন ডিসি বাংলোতে সংসদ নির্বাচনের ১০০ বস্তা ব্যালট পেপার নাটোরে পুরাতন ডিসি বাংলোতে সংসদ নির্বাচনের ১০০ বস্তা ব্যালট পেপার রবিবার জানা যাবে বাংলাদেশে কবে ঈদ রবিবার জানা যাবে বাংলাদেশে কবে ঈদ