সবজি-পেঁয়াজ-মুরগি-মাছের বাজারে আগুন, নাখোশ ক্রেতারা
প্রকাশ : ২২-০৮-২০২৫ ১৪:৪০

ছবি : সংগৃহীত
নিজস্ব প্রতিবেদক
রাজধানীর নিত্যপণ্যের দামের ঊর্ধ্বগতিতে ক্রেতারা নাখোশ। সবজি থেকে শুরু করে মুরগি, গরুর মাংস, মাছ, ডিম সবকিছুর দাম বাড়তি। মধ্য ও নিম্নবিত্ত ক্রেতাদের ভাষ্য, বাজারে এসে হা-হুতাশ করা ছাড়া উপায় নেই। তাদের মতে গত কয়েকমাস স্থিতিশীল ছিল নিত্যপণ্যের বাজার। তবে গত জুলাই থেকে বাড়তে শুরু করে দাম। বাড়তে বাড়তে এখন সেটি ক্রেতাদের নাগালের বাইরে চলে গেছে।
তবে বিক্রেতারা বলছেন, পাইকারি বাজারে দামের ঊর্ধ্বগতির কারণে তারা বেশি দামে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। অন্যদিকে ক্রেতারা অভিযোগ করছেন, ব্যবসায়ীরা কৌশলে ছুটির দিনে দাম বাড়িয়ে দিচ্ছেন, ফলে সীমিত আয়ের পরিবারগুলো পড়ছে চরম বিপাকে।
শুক্রবার (২২ আগস্ট) সাপ্তাহিক ছুটির দিনের সকালে রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এবং বাজার সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।
বাজারে একমাত্র কাঁচা পেঁপে ছাড়া প্রায় সব ধরনের সবজির দাম ৮০ টাকার ঘরে আটকে আছে। বেশ কিছুদিন ধরে সবজির এই ঊর্ধ্বগতিতে দাম কমার কোনো লক্ষণ নেই। তবে করলা, বেগুন ও টমেটোর মতো সবজিগুলোর দাম আরো বেশি। বিক্রেতারা সবজির দাম বাড়ার কারণ হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে মৌসুম শেষ হওয়া, সরবরাহ কম এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বৃষ্টির অভিযোগ জানিয়ে আসছেন।
আজকের বাজারে প্রতি কেজি করলা বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকায়, প্রতি কেজি শসা বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়, ঢেঁড়স প্রতি কেজি ৮০ টাকা, টমেটো প্রতি কেজি ১৮০ টাকা, পটল প্রতি কেজি ৮০ টাকা, বরবটি প্রতি কেজি ১০০ টাকা, ঝিঙা প্রতি কেজি ৮০ টাকা, কচুর লতি প্রতি কেজি ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া, প্রতি কেজি ধুন্দল বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়, কাঁকরোল প্রতি কেজি ৮০ টাকা, বেগুন (গোল) প্রতি কেজি ১৪০ টাকা, পেঁপে প্রতি কেজি ৩০ টাকা, চিচিঙ্গা প্রতি কেজি ৮০ টাকা, কাঁচামরিচ প্রতি কেজি ২৪০ টাকা, বেগুন (লম্বা) প্রতি কেজি ৮০ টাকা, কঁচু প্রতি কেজি ৮০ টাকা, জালি প্রতি পিস ৬০ টাকা এবং লাউ প্রতি পিস ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এদিকে বাজারে পেঁয়াজের দাম নিয়ে ভোক্তাদের দুশ্চিন্তা কমছে না। পাইকারি বাজারে সামান্য কমলেও খুচরায় সেই প্রভাব পড়েনি। ঢাকায় এখনো প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে মান ও আকারভেদে সর্বনিম্ন ৭৫ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৮৫ টাকায়। খুচরা বিক্রেতাদের দাবি, পাইকারিতে দাম কমলেও মজুত কম থাকায় সরবরাহ চাপ সামলাতে খুচরায় দাম ধরে রাখতে হচ্ছে।
পাইকাররা বলছেন, দেশে প্রতি বছর মার্চ–এপ্রিল নাগাদ মৌসুমি পেঁয়াজ বাজারে আসে। কিন্তু কয়েক মাস পেরিয়ে যাওয়ার পর ধীরে ধীরে কৃষকের মজুত ফুরিয়ে যেতে থাকে। ফলে বছরের মাঝামাঝি সময়ে বাজারে সরবরাহ সংকট তৈরি হওয়া অস্বাভাবিক নয়। এর প্রভাবে পাইকারি পর্যায়ে দাম বেড়ে যায়, যার প্রভাব খুচরা বাজারেও পড়ে।
তাদের দাবি, সাম্প্রতিক সময়ে কৃষক ও জেলা পর্যায়ের আড়ত থেকে যথেষ্ট সরবরাহ আসছে না। ফলে বাজারে প্রতিদিনের চাহিদা মেটাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।
এদিকে সপ্তাহ ব্যবধানে বেড়েছে মুরগির দাম। ব্রয়লার মুরগি এখন বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ১৭০ থেকে ১৮০ টাকায়, যা এক সপ্তাহ আগেও ছিল ১৬০ থেকে ১৭০ টাকা। সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩২০-৩৪০ টাকায়, সাদা কক ৩০০ টাকা, লাল কক ২৮০-৩০০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৬০০-৭০০ টাকায়।
শুধু মুরগিই নয়, ডিমের বাজারেও আগুন লেগেছে। গত এক মাস ধরে প্রতি সপ্তাহেই দাম বাড়ছে। বর্তমানে প্রতি ডজন লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকায়, যা গত সপ্তাহেও ছিল ১৪৫-১৫০ টাকা। সাদা ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকায়, যা এক সপ্তাহ আগে ছিল ১৩৫-১৪০ টাকা। হাঁসের ডিমের দাম আরো বেশি, প্রতি ডজন ২৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
অন্যদিকে, গরু ও খাসির মাংসের বাজারে তেমন কোনো পরিবর্তন হয়নি। গরুর মাংস প্রতি কেজি ৭৫০-৮০০ টাকা, খাসির মাংস এক হাজার ২০০ টাকা এবং ছাগলের মাংস এক হাজার ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এদিকে মাছের বাজারে নতুন করে দাম না বাড়লেও আগের চড়া দামেই বিক্রি হচ্ছে। ইলিশের বাজারে এখনো অস্থিরতা দেখা যাচ্ছে। এক কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে দুই হাজার ২০০ টাকায়, ৫০০-৬০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ এক হাজার ৬০০ টাকা, ৭০০-৮০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ এক হাজার ৮০০ টাকা এবং দেড় কেজি ওজনের ইলিশের জন্য গুনতে হচ্ছে তিন হাজার টাকা পর্যন্ত।
অন্যান্য মাছের মধ্যে বোয়াল প্রতি কেজি ৭৫০-৯০০ টাকা, কোরাল ৮৫০ টাকা, আইড় ৭০০-৮০০ টাকা, চাষের রুই ৩৮০-৪৫০ টাকা, কাতল ৪৫০ টাকা, তেলাপিয়া ১৮০-২২০ টাকা, পাঙাশ ১৮০-২৩0 টাকা, কৈ ২০০-২২০ টাকা এবং পাবদা ও শিং ৪০০-৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া চাষের ট্যাংরা ৭৫০-৮০০ টাকা, কাঁচকি ৬৫০-৭০০ টাকা এবং মলা ৫০০-৫৫০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে।
ভোক্তারা মনে করছেন, সরবরাহ ব্যবস্থার ঘাটতি ও পর্যাপ্ত বাজার মনিটরিং না থাকার কারণেই এভাবে দাম বাড়ছে। তারা সরকারের কাছে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন, যাতে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য রাখা যায়।
বনশ্রী বাজারে পরিবারের জন্য সপ্তাহের বাজার করতে আসা গৃহিণী নাহিদা আক্তার বলেন, শাকসবজি, ডাল, মাছ, মাংস— সব কিছুর দামই একসঙ্গে বাড়ছে। গত সপ্তাহে ব্রয়লা মুরগি কিনেছি ১৬৫ টাকায়, আজ দিতে হলো ১৮০ টাকা। এভাবে চলতে থাকলে মাসের শেষে টান পড়বেই।
বাজার করতে আসা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী কামরুল হাসান বলেন, মাসখানেক আগেও ব্রয়লার ১৫০ টাকায় কিনেছি, আজ ১৮৫ টাকা চাইছে। গরু-খাসির মাংস তো অনেক আগেই হাতের বাইরে চলে গেছে, এখন মুরগিও কষ্টকর হয়ে যাচ্ছে। আপনি মাছের বাজারে গিয়েও শান্তি পাবেন না, মাছের দাম আকাশছোঁয়া। এভাবে জিনিসপত্রের দাম বাড়তে থাকলে তো চলতেই পারব না।
এদিকে বিক্রেতারা বলছেন, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় মুরগির বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। রামপুরা বাজারের মুরগি বিক্রেতা দিদার মিয়া বলেন, ব্রয়লার মুরগির দাম দুই সপ্তাহ ধরে বাড়ছে। তবে সোনালি ও অন্যান্য মুরগির দাম কিছুটা ওঠানামা করছে। সরবরাহ বাড়লে দামও আবার কমে আসবে।
খিলগাঁও বাজারে বিক্রেতা আজিজুল মিয়া বলেন, শুক্রবার পাইকারি বাজারেই দাম বেশি থাকে। যে কারণে আমরাও বাড়িয়ে বিক্রি করতে বাধ্য হই। তবে শনি-রবিবার দাম আবার পূর্বের অবস্থায় ফিরে যাবে।
বনশ্রী এলাকার এক খুচরা বিক্রেতা মো. সেলিম বলেন, আমাদের হাতে তো কিছু করার নেই। পাইকারিতে যেভাবে কিনি, সামান্য লাভ রেখে বিক্রি করি। দোষ যেন সবসময় খুচরা বিক্রেতাদের ওপর না চাপানো হয়।
কারওয়ান বাজারের পেঁয়াজ আড়তদার আবুল কালাম বলেন, তিন সপ্তাহ ধরে আমরা যথেষ্ট পেঁয়াজ পাচ্ছি না। আগে প্রতিদিন ট্রাকে ট্রাকে পেঁয়াজ নামতো, এখন অনেক দিন একটা ট্রাকও আসে না। ভারত থেকে আমদানি কমে যাওয়ার পর স্থানীয় বাজারের ওপর চাপ বেড়েছে, অথচ কৃষকের ঘরে যে পরিমাণ মজুত আছে তা বাজারের চাহিদা মেটানোর মতো নয়। এই ঘাটতির কারণে পাইকারি পর্যায়ে দাম বাড়ছে, স্বাভাবিকভাবেই খুচরাতেও অস্থিরতা তৈরি হচ্ছে।
আরেক পাইকারি ব্যবসায়ী হাশেম আলী বলেন, আমরা চাই স্থিতিশীল বাজার। কিন্তু বাজারে পণ্যই যদি পর্যাপ্ত না থাকে, তাহলে দাম কীভাবে স্থিতিশীল থাকবে? আগে যেখানে প্রতি মণ পেঁয়াজ এক হাজার ২০০ থেকে এক হাজার ৪০০ টাকায় কিনতে পারতাম, এখন সেটি দুই হাজার ২০০ থেকে দুই হাজার ৫০০ টাকায় কিনতে হয়। অনেক খুচরা বিক্রেতা আমাদের কাছ থেকে পণ্য না পেয়ে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এর দায় পাইকার বা খুচরা ব্যবসায়ীদের নয়, মূল সমস্যা সরবরাহে। সরকার দ্রুত আমদানি নিশ্চিত না করলে এই অস্থিরতা আরো বাড়বে।
মনিরুল ইসলাম নামের আরেক পাইকারি বিক্রেতা বলেন, এখন বাজারে চাহিদা আছে, কিন্তু জোগান নেই। চাষির ঘরে পেঁয়াজ শেষ হয়ে এসেছে, আর সীমান্ত দিয়ে যেটুকু আসছে, তা পর্যাপ্ত নয়। ব্যবসায়ী হিসেবে আমরা প্রতিদিন ক্রেতাদের চাপের মুখে পড়ছি। অনেকে আমাদের দোষ দিচ্ছেন, কিন্তু বাস্তবে জোগান না থাকলে দাম নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। বাজারে প্রতিযোগিতা তখনই হবে যখন প্রচুর পেঁয়াজ ঢুকবে।
অন্যদিকে ভোক্তারা অভিযোগ করছেন, হঠাৎ করে কেজিপ্রতি ২০–২৫ টাকা দাম বাড়ানো অযৌক্তিক। তাদের অভিযোগ, সরবরাহ ঘাটতি দেখিয়ে ব্যবসায়ীরা বাজার অস্থির করছেন।
পেঁয়াজের পাশাপাশি কাঁচামরিচও ভোক্তাদের ভোগান্তি বাড়াচ্ছে। ব্যবসায়ীদের মতে, মৌসুমি সরবরাহ কম থাকায় দাম অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে।
রাজধানীর আজমপুর কাঁচাবাজারে গৃহিণী শারমিন আক্তার বলেন, এক মাস আগেও পেঁয়াজ কিনতাম ৬৫ টাকায়, এখন সেই একই পেঁয়াজ ৭৫-৮০ টাকায় দিচ্ছে। কাঁচামরিচ তো একেবারেই নাগালের বাইরে চলে গেছে।
মগবাজারে মাহমুদুল হাসান নামে এক ক্রেতা বলেন, হঠাৎ করেই পেঁয়াজ ও মরিচের দাম অনেক বেড়ে গেছে। বাজারে গেলে মনে হয় ব্যবসায়ীরা ইচ্ছামতো দাম বাড়াচ্ছেন। সরকার যদি বাজার নিয়ন্ত্রণে না নামে, সাধারণ মানুষের কষ্ট আরো বাড়বে।
রামপুরা বাজারে সবজি কিনতে আসা আলামিন বলেন, শেষ কবে এত বেশি দামে সবজি কিনেছি ঠিক মনে করতে পারছি না। ৮০-১০০ টাকার কমে কোনো সবজি কিনতে পারিনি। বিক্রেতারা যেভাবে দাম চাচ্ছেন, মনে হচ্ছে তারা মুখস্থ বুলি বলছেন। যা-ই চাই, কেজি ১০০ টাকার কমে নেই।
রামপুরা বাজারে সাপ্তাহিক ছুটির দিনে বাজার করতে এসেছেন বেসরকারি চাকরিজীবী আব্দুর রাজ্জাক। তিনি বলেন, আজ প্রায় দুই মাস ধরে বাজারে সবজির অতিরিক্ত দাম চলছে। মাছ-মাংসের পাশাপাশি এখন মনে হচ্ছে সাধারণ ক্রেতারা সবজিও খেতে পারবে না।
মালিবাগ বাজারের সবজি বিক্রেতা এরশাদ আলী বলেন, সবজির দাম বাড়ার পর থেকে আমাদের মতো সাধারণ বিক্রেতাদের সবজি বিক্রি অনেক কমে গেছে। দাম বাড়ার কারণে মানুষ এখন কম পরিমাণে সবজি কিনছে। এ কারণে আগে এক ধরনের সবজি যেখানে ১৫-২০ কেজি করে আনতাম, এখন তা আনি মাত্র পাঁচ কেজি করে। অর্থাৎ, মানুষ আগে এক কেজি সবজি কিনলে এখন আধা কেজি কিনছে। সবমিলিয়ে সবজির দাম বাড়ার কারণে আমাদের ব্যবসাও কমে গেছে।
তিনি বলেন, বাজারের সব ধরনের সবজি সরবরাহ অনেক কম। বেশিরভাগ সবজির মৌসুম শেষ হওয়ার কারণে মূলত বাজারে সরবরাহ কম হচ্ছে। এর সঙ্গে দেশের বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত বৃষ্টি হচ্ছে, এতে করে সবজি নষ্টও হচ্ছে। নতুনভাবে সবজি বাজারে উঠতে শুরু করলে সবজির দাম কমে আসবে।
সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) পরিসংখ্যানেও উঠে এসেছে বাড়তি দামের চিত্র। সাম্প্রতিক সময়ে প্রকাশিত বাজারদরের তালিকা বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, গত এক মাসে খুচরায় পেঁয়াজের দাম বেড়েছে প্রায় ৩৩ শতাংশ। বর্তমানে ঢাকায় সর্বনিম্ন ৭৫ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৮৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ। যার দাম এক মাস আগেও ছিল ৫৫ থেকে ৬৫ টাকা। আর গত বছর একই সময়ে পেঁয়াজের দাম ছিল ১১০ থেকে ১২০ টাকা কেজি।
টিসিবির বৃহস্পতিবারের বাজার দরের তথ্যে দেখা গেছে, এক বছরের ব্যবধানে গড়ে ১২ শতাংশ বেড়েছে চালের দাম। এ ছাড়া এক সপ্তাহের ব্যবধানে দাম বাড়ার তালিকায় রয়েছে খোলা আটা, ডিম, ডাল, মুরগির দর।
পিপলসনিউজ/আরইউ
-- বিজ্ঞাপন --
CONTACT
ads@peoplenewsbd.com